1. admin@gaibandhapratidin.com : Milon Sarkar : Milon Sarkar
সাদুল্লাপুরে বারোমাসি আম উৎপাদন করে স্বাবলম্বী তিন বন্ধু। » গাইবান্ধা প্রতিদিন
শুক্রবার, ১৫ অক্টোবর ২০২১, ১০:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
স্বেচ্ছাচারিতা ও অদক্ষতার বলি কারিগরির প্রায় এক হাজার শিক্ষক গাইবান্ধা জেলা যুবলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত। গাইবান্ধায় ক্ষুদ্র নৃ- গোষ্ঠী মহিলাদের মধ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ ও প্রশিক্ষণরত ড্রাইভার দের মধ্যে ড্রাইভিং লাইসেন্স বিতরণ : গাইবান্ধায় ১০ আসামির খালাস প্রসঙ্গে পিপির সংবাদ সম্মেলন সুন্দরগঞ্জে চাঞ্চল্যকর শিশু শুভ হত্যা মামলার ১০ আসামি খালাস গাইবান্ধার কোটি টাকা মূল্যের বিরল প্রজাতির ছয়টি তক্ষক উদ্ধার ও ৪জনকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১৩ সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের জাগরণ গোবিন্দগঞ্জে ওড়াঁও জনগোষ্ঠীর কারাম উৎসব পালন গাইবান্ধায় অপহরণের পর হত্যা মামলার কথিত মৃত ব্যক্তিকে ২০ মাস পর জীবিত উদ্ধার পিবিআই সাদুল্লাপুরে ঘরবাড়ি ভাংচুর করে লুটপাটঃ পত্রিকায় প্রকাশিত মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদে মাহাবুর রহমান (সাবেক মেম্বার) এর সংবাদ সম্মেলন ২১ আগস্ট বর্বরোচিত হত্যাকান্ডে সকল শহীদদের স্মরণে গাইবান্ধায় উপজেলা পরিষদের দোয়া ও তবারক বিতরণ

সাদুল্লাপুরে বারোমাসি আম উৎপাদন করে স্বাবলম্বী তিন বন্ধু।

মোঃরিফাতুন্নবী রিফাত,,গাইবান্ধাঃ
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২ জুলাই, ২০২১
  • ৩৪ বার পঠিত

গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের ছোট-ছত্রগাছা গ্রামের ৩বন্ধু রুবেল মন্ডল,মাসুদ রানা ও জাহিদ হাসান জয়।তিন জনই লেখাপড়া করছেন,পলিটেকনিক্যাল কলেজে।এদের মধ্যে রুবেল মন্ডল ২০১৮সালে ঢাকা পলিটেকনিক্যাল কলেজে থেকে(ইলেকট্রিক্যাল)ডিপ্লোমা ও মাসুদ রানা টেক্রটাইল ট্রেড নিয়ে বেসরকারি বগুড়া পলিটেকনিক্যাল থেকে ডিপ্লোমা শেষ করেন।জাহিদ হাসান জয় গত বছরে ঢাকার শ্যামলী আইডিয়াল পলিটেকনিক্যাল শেষ করেন ডিপ্লোমা।করোনা মহামারি দেখা দিলে চাকরি ছেড়ে গ্রামে ফেরেন তারা।এরপর তারা আবার মন-দেন বাগান করার দিকে

।এরপর তাদের আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়-নি।তারা এই বারোমাসি থাই-কাটিমন আম বাগান থেকে এখন প্রতি মাসে আয় করছেন প্রায় লক্ষ টাকা। তাদের শুরুটা ২০১৯সালের মার্চে। মাত্র চার বিঘা জমি বর্গ নিয়ে শুরু করেন আম ও পেয়ারা গাছের চারা রোপন।প্রথমে পাঁচশত আম ও আড়াইশ পেয়ারা গাছের চারা রোপন করেন তারা।

এক দেড় বছরের নিবিড় পরিচর্যায় তা রুপ নেয় পরিপূর্ণ বাগানে।এই বাগানে থাই কাটিমন বারোমাসি আম ও পেয়ারা বিক্রি করে প্রতি মাসে এখন তাদের আর হচ্ছে প্রায় লক্ষ টাকা।এই তিন তরুণ প্রথমে চার বিঘা জমিতে আমের চারা রোপন করেন,পাশাপাশি রোপন করেন সুস্বাদু ফল পেয়ারা গাছের চারাও।শুরু থেকে নিজেরাই করছেন বাগান পরিচর্যার কাজ।জমি নিড়ানী থেকে শুরু করে চারা রোপন,কিংবা খুঁটি গাড়া থেকে ঘিড়া দেয়া সবই করেন এই তিন তরুণ।

তবে এক সময় তিন তরুণের পক্ষে বাগান পরিচর্যা করা সম্ভব হয়ে উঠছিল না।তখন তারা নিজেরা কাজ করার পাশাপাশি দিন প্রতি তিনশত টাকার একজন শ্রমিক নিয়োগ করেন।কিন্তু মাস শেষে সেই শ্রমিকের পারিশ্রমিক দিতে না পারায় তিন তরুণ চাকরি নেন ঢাকার এক পোশাক কারখানায়।সেই চাকরির বেতনের টাকায় শ্রমিকের পারিশ্রমিক দিতে সক্ষম হন এই তিন তরুণ উদ্যেক্তারা।এরপর তারা আবার মন দেন বাগান করার দিকে।তার পর পরেই থেকে আম ও পেয়ারা বিক্রি করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন তিন তরুণ।

এবং রুবেল মন্ডল বলছেন কেউ যদি চারা কিনতে বা কিছু তথ্য শিখতে চান,তাহলে কেউ আসলে তারা শিখাইতে ইচ্ছুক। সাদুল্লাপুর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃখাজানুর রহমান বলেন,,ধাপেরহাটের তিন বন্ধু তরুণ উদ্যেক্তা পত্র-পত্রিকা দেখে বারোমাসি থাই কাটিমন আমের চারা সংগ্রহ করেন চুয়াডাঙ্গা থেকে,কৃষি বিভাগের কারিগরি সহায়তায় আজ তারা আম চাষে স্বাবলম্বী।এই বাগান থেকে তারা প্রতি সপ্তাহে ২০-২৫ হাজার টাকার আম বিক্রি করছে।উপজেলায় এরকম আরও উদ্যেক্তা আমরাও খুঁজছি।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর...

© ২০২০-২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | গাইবান্ধা প্রতিদিন

Theme Customized By Sky Host BD