1. admin@gaibandhapratidin.com : Milon Sarkar : Milon Sarkar
বাংলাদেশের সবচেয়ে নিরাপদ গাড়ি। • গাইবান্ধা প্রতিদিন
রবিবার, ০১ অগাস্ট ২০২১, ০৩:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গাইবান্ধা জেলা পুলিশের এম্বুলেন্স ও অক্সিজেন সেবার উদ্বোধন গাইবান্ধা সদর খোলাহাটী ইউনিয়নের পশ্চিমকোমরনই কিরাতুল নুরানী মাদ্রাসায় নগদ অর্থ প্রদান করেন। গাইবান্ধা উন্নয়ন ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে মটর শ্রমিকদের মাঝে মাক্স ও সাবান বিতরণ করা হয়। হেলেনা জাহাঙ্গীরকে আটক গাইবান্ধায় কর্মহীন পরিবার মানুষের মাঝে সেনাবাহিনী কর্তৃক মানবিক সহায়তা প্রদান। গোবিন্দগঞ্জে সড়কে মটরসাইকেল দূর্ঘটনায় নিহত ২ মায়ের মানতে রাজপুত্রের মতো বর আসলো রাজার বেশে কন্যাকে বিবাহ করিতে সজীব ওয়াজেদ জয় পরিষদ সাদুল্লাপুর শাখার উদ্যোগে মাস্ক বিতরণ মোটরসাইকেল রেসিং খেলাকে কেন্দ্র করে দ্বন্দের সূত্রেই রকি হত্যাকান্ড :বিক্ষুদ্ধ জনতার অগ্নিসংযোগ ফুলছড়িতে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গাইবান্ধায় খুন

বাংলাদেশের সবচেয়ে নিরাপদ গাড়ি।

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৩ মে, ২০২১
  • ২৫ বার পঠিত

বুলেট কিংবা গ্রেনেড, অথবা মাটির নিচের মাইন। সবকিছুই যেন‌ দুর্ভেদ্য মার্সিডিজ G63 AMG এর কাছে। কীভাবে বাংলাদেশে এলো বিশ্ব রেংকিং এ ২-৩ নম্বরে থাকা এই গাড়িটি তাই জানাবো শুরু থেকে। সময়টা ২০০১ সাল। বিএনপি জামায়াত সরকার ক্ষমতায় আসার পর তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী শেখ হাসিনার নিরাপত্তা প্রটোকল স্বাভাবিকভাবেই প্রত্যাহার করে নেয়া হয়।

বঙ্গবন্ধুর পরিবারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রত্যাহারের পাশাপাশি বিরোধীদলীয় নেত্রীর এসএসএফ প্রটোকল ও প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। আর এতে শেখ হাসিনার নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তায় পরে আওয়ামী লীগ। আর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এগিয়ে আসে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। তারা অর্থ যোগাঢ় করে একটি Mercedes g63 AMG গাড়ি পাঠায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর জন্য।

পরে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার সময় শেখ হাসিনা গাড়িতে উঠার পরেও তিন দিক থেকে বেশকিছু গ্রেনেড হামলা করা হয় গাড়িটিকে লক্ষ্য করে। এর ফলে গাড়িটির একটি চাকা পাঞ্চার হয় ও একটি জানালা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে গাড়িটি ঠিকই নিরাপদে গন্তব্যস্থলে পৌঁছায়। পরে এই গাড়ির পারফরম্যান্সে সন্তষ্ট হয়ে আওয়ামী লীগ পরবর্তীতে আরো দুটি একই মডেলের গাড়ি ক্রয় করে। হামলার শিকার হওয়া গাড়িটি বর্তমানে রাষ্ট্রীয় প্রটোকলের কাজে ব্যবহৃত হয়।

আর দুটি ওয়াগন মাঝেমধ্যে প্রধানমন্ত্রী ব্যবহার করেন। দেখতে অতি সাধারণ মনে হলেও কাজে একেবারেই অসাধারণ এই গাড়িটি। নিরাপত্তার কথা বলতে গেলে এতে রয়েছে ৩৬০° কম্পোজিট ম্যেটেরিয়াল। ৭×.৬২ মিমি এর বুলেট সাধারণ কোনো গাড়িতে একপাশ দিয়ে ঢুকে আরেক পাশ দিয়ে বেড়িয়ে গেলেও এই ওয়াগনটির রং এ আচর ও ফেলতে পারবেনা ।

গ্রেনেড এর বিপক্ষে এর ক্ষমতা ২১ এ আগস্ট ই প্রমাণিত, যদিও এখন আরো বেশি শক্তিশালী আর্মার্ড রয়েছে গাড়িটিতে। আর গতির কথা বলতে গেলে ০-১০০ কিমি গতিতে পৌঁছায় মাত্র ৫.৭ সেকেন্ডে। যেখানে R-15 version 3 motorcycle এর ১০০ কিমি গতিতে পৌঁছাতে সময় লাগে ১২ সেকেন্ড। এছাড়াও রয়েছে কিছু বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আর এই গাড়ির সাধারণ ভার্সনটি দেশে আনতে টেক্সসহ ১১ কোটি টাকার মতো পরবে। কিন্তু আর্মার্ড ভার্সনটি কিনতেই খরচ হবে ১.২ মিলিয়ন ডলার।

আর ট্যাক্সসহ ৩০ কোটি টাকা খরচ হবে। উল্লেখ্য প্রধানমন্ত্রী এই মার্সিডিজ গাড়িটি বেশিরভাগ সময় ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করেন। সরকারি BMW 7 series ব্যবহার করেন। BMW 7 series এর আর্মার্ড ভার্সনটি ভারতের প্রধানমন্ত্রী সহ বিশ্বের বেশিরভাগ সরকার প্রধান ব্যবহার করে থাকে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর...

© ২০২০-২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | গাইবান্ধা প্রতিদিন

Theme Customized BY LatestNews