1. admin@gaibandhapratidin.com : Milon Sarkar : Milon Sarkar
টাকার অভাবে মেডিকেলে ভর্তি হতে পারছেন না গোবিন্দ🤦‍♀️ • গাইবান্ধা প্রতিদিন
বুধবার, ১২ মে ২০২১, ১২:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গাইবান্ধায় লাগাতার রোজাদার ব্যক্তিদের ইফতার দিয়ে রের্কড সৃষ্টি করলো জেলা ছাত্রলীগ। গাইবান্ধায় BHRC’র আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত গাইবান্ধায় প্রধানমন্ত্রীকে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির স্মারকলিপি প্রদান। ৫ কোটির সহায়তা প্রিয়াঙ্কার। গত একমাসে সারাদেশে ৩৯৭ টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। গতকাল নিরব ও মিথিলা অভিনীত ‘অমানুষ’ ছবির ফার্স্ট লুক প্রকাশ হয়েছে। গোবিন্দগঞ্জে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্মলীগ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি চঞ্চলের আয়োজনে ইফতার ও রান্না করা খাবার বিতরণ গাইবান্ধা সদর উপজেলার আস্থার প্রতীক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহ সারোয়ার কবির টাকার অভাবে মেডিকেলে ভর্তি হতে পারছেন না গোবিন্দ🤦‍♀️

টাকার অভাবে মেডিকেলে ভর্তি হতে পারছেন না গোবিন্দ🤦‍♀️

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৫ মে, ২০২১
  • ৭ বার পঠিত

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরের ইদিলপুর ইউনিয়নের মেধাবী ছাত্র গোবিন্দ চন্দ্রের মেডিকেল কলেজে ভর্তি অর্থের অভাবে অনেকটা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। গোবিন্দ চন্দ্র সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। গোবিন্দ চন্দ্র ইদিলপুর ইউনিয়নের রুপনাথপুর গ্রামের জেলে শ্রী কমল চন্দ্রের ছেলে। গোবিন্দের বাবা কমল চন্দ্র বলেন, ছেলে মেডিকেল ভর্তি সুযোগ পেয়েছে ঠিকই। গরীবের জন্য সব সময় সব সুযোগ কাজে লাগে না। ছেলেকে মেডিকেল কলেজে ভর্তি করার সামথ্য আমার নেই।

একদিন মাছ বিক্রি না করলে পেটে ভাত যায় না, এত টাকা আমি কোথায় পাবো। তাই মেধাবী শিক্ষার্থী গোবিন্দ চন্দ্রের মেডিকেলে ভর্তির জন্য আর্থিক সহযোগিতা জরুরি। তার পরিবারের ভাষ্য সমাজের দানশীল ও বিত্তবান শ্রেণীর মানুষ যদি সহযোগিতা করতো তাহলে হয়তো ছেলের স্বপ্ন পূরণ হবে। তার পরিবারের পক্ষে ব্যয়ভার বহন করা কষ্ট সাধ্য। দরিদ্রদের কষাঘাতে জর্জরিত জেলে কমল চন্দ্রের জীর্ণ কুটিরে জন্ম নেয়া গোবিন্দ চন্দ্র এলাকায় অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র হিসাবেই পরিচিত।

সে মাদারহাট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও পলাশবাড়ী সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি জিপিএ- ৫ পেয়ে পাশ করে। সে নিজে টিউশনি করে কখনও অন্যের জমিতে কাজ করে এ পর্যন্ত লেখাপড়া করে এসেছে। চলতি বছর সে বাবা মাকে না জানিয়ে বুকের ভিতরে লুকায়িত স্বপ্ন পূরণে আশায় মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য আবেদন করে। তাকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য সুপারিশ করে। ভর্তির আর মাত্র কয়েক দিন বাকী থাকলেও ভর্তি ও আনুষঙ্গিক খরচের টাকা জোগাড় করতে পারেনি তার পরিবার। কমল চন্দ্রের তিন ছেলে মেয়ের মধ্যে রড় সম্তান গোবিন্দ চন্দ্র।

সামান্য পুঁজিতে পলাশবাড়ী থেকে মাছ ক্রয় করে গ্রামের ছোট্ট বাজারে নিয়ে এসে বিক্রি করে কোন রকমে সংসার চলে। এরপর তিন সন্তানের লেখা পড়ার খরচ বহন করা তার পক্ষে অনেকটা কষ্ট সাধ্য হয়ে পড়েছে। পিতা কমল অনেকটা অভিমান করে বলেন, আমরা ছেলেকে মেডিকেল কলেজ কি ভাবে পড়াবো, এত খরচ কোথায় পাবো। ছিড়ে কাঁথায় শুয়ে লক্ষ টাকার স্বপ্ন। মেডিকেল কলেজ ছেলেকে পড়ানো সাধ থাকলেও তা তার সাধ্যের বাহিরে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর...

© ২০২০-২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | গাইবান্ধা প্রতিদিন

Theme Customized BY LatestNews