1. admin@gaibandhapratidin.com : Milon Sarkar : Milon Sarkar
আলহিরা দাখিল মাদ্রাসায় জাল সাটিফিকেটে শিক্ষগতা, প্রমাণ মিলেছে শিক্ষকের ইনডেক্সসে। • গাইবান্ধা প্রতিদিন
সোমবার, ১০ মে ২০২১, ১২:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গাইবান্ধায় লাগাতার রোজাদার ব্যক্তিদের ইফতার দিয়ে রের্কড সৃষ্টি করলো জেলা ছাত্রলীগ। গাইবান্ধায় BHRC’র আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত গাইবান্ধায় প্রধানমন্ত্রীকে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির স্মারকলিপি প্রদান। ৫ কোটির সহায়তা প্রিয়াঙ্কার। গত একমাসে সারাদেশে ৩৯৭ টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। গতকাল নিরব ও মিথিলা অভিনীত ‘অমানুষ’ ছবির ফার্স্ট লুক প্রকাশ হয়েছে। গোবিন্দগঞ্জে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্মলীগ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি চঞ্চলের আয়োজনে ইফতার ও রান্না করা খাবার বিতরণ গাইবান্ধা সদর উপজেলার আস্থার প্রতীক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহ সারোয়ার কবির টাকার অভাবে মেডিকেলে ভর্তি হতে পারছেন না গোবিন্দ🤦‍♀️

আলহিরা দাখিল মাদ্রাসায় জাল সাটিফিকেটে শিক্ষগতা, প্রমাণ মিলেছে শিক্ষকের ইনডেক্সসে।

শেখ মোঃ সাইফুল ইসলাম গাইবান্ধা।
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১ মে, ২০২১
  • ৮ বার পঠিত

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার মাঠেরহাট আলহিরা দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক নুরুল ইসলামের ইনডেক্সসে উল্লেখ আছে, জন্ম সাল, ০১/০৩/১৯৬০ইং তারিখ, এসএসসি সাটিফিকেট অর্জন ১৯৭২ ইং তারিখ, এইচএসসি অর্জন ১৯৭৪ ইং তারিখ, সব মিলিয়ে মাত্র ১৩ বছর ৯ মাসে অর্জন করেছেন এইচএসসি। যাহা আদোও সম্ভব নায়, জাল সাটিফিকেটে শিক্ষগতা নিয়ে ব্যাপক অভিযোগ উঠেছে। ১৯৭০ সালে কামেল পাশ কয়েক জন শিক্ষিত ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, যে সকল ব্যক্তি ১৯৭০ পর হতে সাটিফিকেট অর্জন করেছেন, তারা ৮ বছর বয়সে স্কুলে যাওয়া শুরু করতেন,

ঐ সময়ের ছাত্র, ছাত্রী ১৮/১৯ বছরে এসএসসি পাশ করতেন, তার আগে সম্ভব নায় বলে জানান তারা। যে যুগের মানুষ ৭/৮ বছরে ক্লাস ওয়ানে শিক্ষা গ্রহণ করতেন, ঠিক সেই যুগে ১১ বছর ৯ মাসে এসএসসি ও ১৩ বছর ৯ মাসে এইচএসসি সাটিফিকেট অর্জন করা মানে ভুয়া সাটিফিকেট অর্জন করা। ১৯৬০ সালে একজন শিশু ৬/৭ বছরে বুঝতে শিখতেন, তাদের আমলে ৮/৯ বছরের শিশুরা বেশি ভাগ প্যান্ট পড়া ছাড়াই চলাচল করতেন। তারা আরো জানান, বর্তমান সময়ের শিশু একমাসের মধ্যে হ্যাঁ, হাঁ, হু বলতে শুরু করেন, তার পরেও ক্লাস ওয়ানে ভর্তি করতে বয়স সিমা ৫ বছর।

১১ বছর ৯ মাসে কোনো ভাবে এসএসসি সাটিফিকেট অর্জন করা সম্ভব নয়। অর্জন করে থাকলে তা ১০০% জাল সাটিফিকেট বলে গণ্য হবে বলে জানিয়েছেন। সন্দেহ জনক এসএসসি সাটিফিকেট নিয়ে সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় চলছে সচেতন নাগরিক মহলে ব্যাপক সমালোচনা ঝড়। জাল সাটিফিকেট বিষয়ে শিক্ষক নুরুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলার জন্য, তার বাড়ি পর্যন্ত যাওয়া হলে, ঐ দিন তাকে পাওয়া যায়নি। তার পরিবার নিকট থেকে ফোন নাম্বার সংগ্রহ করে, মুঠোফোনে শিক্ষক নুরুল ইসলামের সঙ্গে জাল সাটিফিকেট বিষয়ে কথা হলে, তিনি তার সাটিফিকেট সম্পর্কে কিছুই বলতে পারেনি।

এ বিষয়ে উক্ত প্রতিষ্ঠানের সুপার মোঃ নুরুন্নবী মিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে, নুরুল ইসলামের সাটিফিকেট সম্পর্কে জানতে চাইলে, তিনি বলে আমি এ বিষয়ে কিছুই জানিনা। তাহলে আপনি নুরুল ইসলামের ইনডেক্সসে কি ভাবে সর্তায়িত করেছেন, এমন প্রশ্ন করা হলে, তিনি তার জবাব দিতে পারেনি। বেশ কয়েক দফায় বিষয়টি আরো ভালো ভাবে নিশ্চিত হওয়ার জন্য, সুন্দরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাহমুদ হাসান মন্ডলের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। এমনকি সুন্দরগঞ্জ উপজেলা পর্যন্ত যাওয়া হলে, অফিসে তার দেখা মেলেনি। উল্লেখ্য ইনডেক্স নাম্বার R 094260 তে শিক্ষক নুরুল ইসলামের সকল তথ্য উল্লেখ আছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর...

© ২০২০-২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | গাইবান্ধা প্রতিদিন

Theme Customized BY LatestNews