1. admin@gaibandhapratidin.com : Milon Sarkar : Milon Sarkar
বর্তমান সময়ে সারাবিশ্বে সম্ভাব্যময় একটি পেশা হচ্ছে “সাংবাদিকতা” • গাইবান্ধা প্রতিদিন
সোমবার, ১০ মে ২০২১, ০৬:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গাইবান্ধায় লাগাতার রোজাদার ব্যক্তিদের ইফতার দিয়ে রের্কড সৃষ্টি করলো জেলা ছাত্রলীগ। গাইবান্ধায় BHRC’র আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত গাইবান্ধায় প্রধানমন্ত্রীকে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির স্মারকলিপি প্রদান। ৫ কোটির সহায়তা প্রিয়াঙ্কার। গত একমাসে সারাদেশে ৩৯৭ টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। গতকাল নিরব ও মিথিলা অভিনীত ‘অমানুষ’ ছবির ফার্স্ট লুক প্রকাশ হয়েছে। গোবিন্দগঞ্জে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্মলীগ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি চঞ্চলের আয়োজনে ইফতার ও রান্না করা খাবার বিতরণ গাইবান্ধা সদর উপজেলার আস্থার প্রতীক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহ সারোয়ার কবির টাকার অভাবে মেডিকেলে ভর্তি হতে পারছেন না গোবিন্দ🤦‍♀️

বর্তমান সময়ে সারাবিশ্বে সম্ভাব্যময় একটি পেশা হচ্ছে “সাংবাদিকতা”

ওয়াজেদ হোসেন জীম
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২১
  • ১৪ বার পঠিত

বর্তমান তরুণদের মাঝে ধীরে ধীরে জনপ্রিয় পাচ্ছে এই সাংবাদিকতা পেশা। এই সাংবাদিকতা পেশা দিন দিন জনপ্রিয় হবার প্রধান কারণ – সাধারণ পেশা থেকে পুরোপুরিই আলাদা এই পেশা। এই পেশায় নিয়োজিত হলে জীবনে যোগ হয় কিছু নতুন অভিজ্ঞতার। মিশতে হয় হাজার হাজার মানুষের সাথে, যেতে হয় নানা জায়গায়, জানতে হয় বহু কিছু, হতে হয় গোয়েন্দা।

মূলত বর্তমানে সাংবাদিকতা পেশাটাকে অনেকেই “গোয়েন্দাগিরি”র সাথে তুলনা করে। কারণ গোয়েন্দাদের কাজ যেমন সত্যের সন্ধান করে, তা সবাইকে জানানো, সাংবাদিকদের কাজটাও ঠিক একই। সত্যটা জেনে সবাইকে জানিয়ে দেয়া। যার জন্য কৌতুহলী এই পেশার চাহিদা দিন দিন‌ বাড়ছে। অবশ্য এই সাংবাদিকতা পেশাটাকে যারা নিয়ে গেছেন অন্য এক উচ্চতায়, তাদের কেউ আজকে জীবিত নেই। বলতে গেলে, তাদের জীবিত রাখা হয়নি্, হত্যা করা হয়েছে। হ্যা, অনেক সাংবাদিক নিজেরা এই সাংবাদিকতাকে এইটাই গুরত্ব দিয়েছিলেন যে, সত্যকে খুঁজতে গিয়ে, সত্যকে জেনে নিজেদের জীবন বিসর্জন দিয়ে গেছেন।

Committee to Protect Journalists (CPJ) এর তথ্য মতে, ২০০০ সাল থেকে শুরু করে ২০২০ সাল পর্যন্ত সারা বিশ্বে মোট একহাজার চারশ জনের বেশি সাংবাদিকদের হত্যা করা হয়েছে। আর সব থেকে হতাশার কথা হলোএসব হত্যার বেশির ভাগেরই বিচার কার্য শেষ হয়নি। অর্থাৎ কোন হত্যার বিচার হয়নি। আজকে বিশ্বে আলোচিত এমন কয়েকজন সাংবাদিকদের কথা বলব, যারা সাংবাদিকতার জন্য, সংবাদ সংগ্রহের জন্য, সত্যকে জানার জন্য, আমাদের সত্যকে জানানোর জন্য, নিজের জীবন দিয়ে গেছেন। যাদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে।

(১) বাংলাদেশ – সাগর-রুনি হত্যা : ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন নাহার রুনি। দুজনকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। ওই রাতে তারা ছাড়া ঘরে ছিল তাদের একমাত্র শিশুসন্তান। তাদের হত্যার বিচার আজও চলমান এবং তাদের হত্যাকারী আজও পর্দার আড়ালে। (২) আমেরিকা – জামাল খাসোগি : সৌদি বংশদ্ভূত জামাল খাসোগি দি ওয়াশিংটন পোস্ট এর একজন সাংবাদিক ও লেখক ছিলেন, যিনি পূর্বে আল-এরাব নিউজ চ্যানেল এর সাধারণ ব্যবস্থাপক এবং মূখ্য সম্পাদকের পদে নিযুক্ত ছিলেন। তিনি সৌদি আরবের সরকারের প্রতিনিধি দ্বারা ২০১৮ সালের ২ অক্টোবরে ইস্তাম্বুলে অবস্থিত সৌদি দূতাবাসে গুপ্তহত্যার শিকার হন। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ অজানা কারণ তার দেহ এখনও উদ্ধার এবং পরীক্ষা করা যায় নি।

সৌদি আরব, তুরস্ক, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স এবং জার্মানি এর সরকার মনে করে যে খাসোগিকে হত্যা করা হয়েছে। (৩) হান্ডুরাস – হার্লিন ইভান এস্পিনাল মার্টিনেজ হার্লিন ইভান এস্পিনাল মার্টিনেজ একজন হন্ডুরান সাংবাদিক এবং টেলিভিশন রিপোর্টার ছিলেন, তিনি টেলভিসেন্ট্রোর দৈনিক নিউজকাস্ট “হোয় মিসমোর” জন্য হন্ডুরাসের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর সান পেড্রো সুলায় প্রধান সংবাদদাতা হিসাবে কাজ করেছিলেন। ২১ জুলাই ২০১৪-এ এস্পিনালকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল।

হত্যার সময় তিনি ৩১ বছর বয়সী ছিলেন। তাঁর হত্যার পর, তাঁর জীবনের শেষ ঘন্টা এবং তাঁর মৃত্যুর পরিস্থিতি সম্পর্কে পরস্পরবিরোধী তথ্য প্রচারিত হয়েছিল। কিছু সূত্র দাবি করেছে, যে তাকে দু’বার গুলি করা হয়েছে, অন্যরা দাবি করেছে যে তাকে পাঁচবার গুলি করা হয়েছে। তাঁর মৃত্যুর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে তিনি যে শহরটিতে কাজ করেছিলেন “সান পেড্রো সুলা” সে শহরকে “গ্রহের সবচেয়ে হিংসাত্মক দেশের সবচেয়ে হিংস্র শহর হিসাবে বিবেচনা করা হয়” লেখা : ওয়াজেদ হোসেন জীম

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর...

© ২০২০-২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | গাইবান্ধা প্রতিদিন

Theme Customized BY LatestNews