1. shahriarltd@gmail.com : GaibandhaPratidin :
  2. maydul@gaibandhapratidin.com : Maydul :
  3. info@gaibandhapratidin.com : Milon Sarkar : Milon Sarkar
  4. raju@gaibandhapratidin.com : Raju Sarker : Raju Sarker
  5. srridoy121@gmail.com : Samsur Rahman Ridoy : Samsur Rahman Ridoy
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০, ০৩:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গাইবান্ধায় চাচার ধর্ষণের শিকার ষষ্ঠ শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রী! গাইবান্ধায় স্বতন্ত্র মাদ্রাসা জাতীয়কররণের দাবীতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় রাজাহার ইউনিয়নে ইউপি সদস্য পদে এভিএমএ অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে জলি বেগম নির্বাচিত পথশিশুদের মাঝে শাহনূরের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমে উদ্ধুদ্ধ করনের লক্ষ্য কঞ্চিপাড়া ডিগ্রি কলেজে কর্মশালা অনুষ্ঠিত। সুন্দরগঞ্জের শ্রীপুর ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কামরুল হুদা রাজু ৫ দফা দাবিতে ফারিয়ার কর্মবিরতি ও মানববন্ধন মতবিনিময় সভায় জনতার মাঝে মোস্তাক আহমেদ রঞ্জু,আপামর জনতার ঢল সাদুল্লাপুরে সাংবাদিক খোরশেদ আলমের উপর মাদক ব্যবসায়ীর হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন নিযাচা’র চেয়ারম্যান জীবনহানির আশঙ্কা: গাইবান্ধায় বাসাবাড়ির এলপি গ্যাস দিয়ে অবাধে চলছে সিএনজি অটোরিকশা! প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

গোবিন্দগঞ্জে বন্যায় নার্সারীর ব্যাপক হ্মতি হতাশায় দিন গুনছে মালিকরা

সাজাদুর রহমান সাজু গোবিন্দগঞ্জ প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২০
  • ৯২

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ৬ নং দরবস্ত ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের দূর্গাপুর গ্রামের মামুন নার্সারীতে করতোয়া নদীর বাঁধ ভেঙ্গে প্রায় ৪১ টি গ্রামে পানি ঢ়ুকে বন্যায় প্লাবিত হওয়ায় নার্সরীর মালিক দের মাথায় হাত।দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখা এই নার্সরী গুলো বন্যার কারনে ধ্বংসের পথে। করোনার প্রভাব ও বারবার বন্যার কারণে অনেক নার্সারী এখন বন্ধের পথে।হতাশায় দিন গুণছে নার্সারীর মালিকরা। দূর্গাপুর গ্রামের মামুন নার্সারীর মালিক মোঃ আতিকুর রহমান ও মিজানুর রহমান বলেন,আমার নার্সারী ৭ বিঘায় বিভিন্ন চারাগাছ লাগানো আছে এবং ৪.৫ বিঘা জমিতে প্রায় ১০০০০০ হাজার স্টাম্প চারা পানির নিচে তলিয়ে গিয়েছে এবং সমস্ত চারা নষ্ট হতে চলেছে। আমার এবার লোকসান গুনতে হবে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা। তিনি আরো বলেন,১৯৯৩ সাল থেকে নার্সারীতে ব্যবসা করি কিন্তু এই রকম সমস্যার সম্মুখীন হয়নি কখনো।

আমার খামারের যে অবস্থা তাতে করে বাহিরে থেকে কোনো ক্রেতা আসতে পারছে না পানির জন্য।আমি উপজেলার প্রসাশন ও বনবিভাগের প্রতি অনুরোধ করছি আমার এবং আসে পাসের নার্সারীর মালিকদের দিকে লহ্গোবিন্দগঞ্জে বন্যায় নার্সারীর ব্যাপক হ্মতি হতাশায় দিন গুনছে মালিকরা (মোঃ আতোয়ার রহমা গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ৬ নং দরবস্ত ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের দূর্গাপুর গ্রামের মামুন নার্সারীতে করতোয়া নদীর বাঁধ ভেঙ্গে প্রায় ৪১ টি গ্রামে পানি ঢ়ুকে বন্যায় প্লাবিত হওয়ায় নার্সরীর মালিক দের মাথায় হাত।দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখা এই নার্সরী গুলো বন্যার কারনে ধ্বংসের পথে। করোনার প্রভাব ও বারবার বন্যার কারণে অনেক নার্সারী এখন বন্ধের পথে।হতাশায় দিন গুণছে নার্সারীর মালিকরা। দূর্গাপুর গ্রামের মামুন নার্সারীর মালিক মোঃ আতিকুর রহমান ও মিজানুর রহমান বলেন,আমার নার্সারী ৭ বিঘায় বিভিন্ন চারাগাছ লাগানো আছে এবং ৪.৫ বিঘা জমিতে প্রায় ১০০০০০ হাজার স্টাম্প চারা পানির নিচে তলিয়ে গিয়েছে এবং সমস্ত চারা নষ্ট হতে চলেছে। আমার এবার লোকসান গুনতে হবে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা।

তিনি আরো বলেন,১৯৯৩ সাল থেকে নার্সারীতে ব্যবসা করি কিন্তু এই রকম সমস্যার সম্মুখীন হয়নি কখনো। আমার খামারের যে অবস্থা তাতে করে বাহিরে থেকে কোনো ক্রেতা আসতে পারছে না পানির জন্য।আমি উপজেলার প্রসাশন ও বনবিভাগের প্রতি অনুরোধ করছি আমার এবং আসে পাসের নার্সারীর মালিকদের দিকে লহগোবিন্দগঞ্জে বন্যায় নার্সারীর ব্যাপক হ্মতি হতাশায় দিন গুনছে মালিকরা সাজাদুর রহমান সাজু গোবিন্দগনজ প্রতিনিধি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ৬ নং দরবস্ত ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের দূর্গাপুর গ্রামের মামুন নার্সারীতে করতোয়া নদীর বাঁধ ভেঙ্গে প্রায় ৪১ টি গ্রামে পানি ঢ়ুকে বন্যায় প্লাবিত হওয়ায় নার্সরীর মালিক দের মাথায় হাত।দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখা এই নার্সরী গুলো বন্যার কারনে ধ্বংসের পথে। করোনার প্রভাব ও বারবার বন্যার কারণে অনেক নার্সারী এখন বন্ধের পথে।হতাশায় দিন গুণছে নার্সারীর মালিকরা। দূর্গাপুর গ্রামের মামুন নার্সারীর মালিক মোঃ আতিকুর রহমান ও মিজানুর রহমান বলেন,আমার নার্সারী ৭ বিঘায় বিভিন্ন চারাগাছ লাগানো আছে এবং ৪.৫ বিঘা জমিতে প্রায় ১০০০০০ হাজার স্টাম্প চারা পানির নিচে তলিয়ে গিয়েছে এবং সমস্ত চারা নষ্ট হতে চলেছে। আমার এবার লোকসান গুনতে হবে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা। তিনি আরো বলেন,১৯৯৩ সাল থেকে নার্সারীতে ব্যবসা করি কিন্তু এই রকম সমস্যার সম্মুখীন হয়নি কখনো। আমার খামারের যে অবস্থা তাতে করে বাহিরে থেকে কোনো ক্রেতা আসতে পারছে না পানির জন্য।আমি উপজেলার প্রসাশন ও বনবিভাগের প্রতি অনুরোধ করছি আমার এবং আসে পাসের নার্সারীর মালিকদের দিকে লহ্ম রাখতে।

এ জাতীয় আরো খবর...

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | গাইবান্ধা প্রতিদিন

Theme Customized BY LatestNews