1. shahriarltd@gmail.com : GaibandhaPratidin :
  2. maydul@gaibandhapratidin.com : Maydul :
  3. info@gaibandhapratidin.com : Milon Sarkar : Milon Sarkar
  4. raju@gaibandhapratidin.com : Raju Sarker : Raju Sarker
  5. srridoy121@gmail.com : Samsur Rahman Ridoy : Samsur Rahman Ridoy
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২০, ০৯:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জীবনহানির আশঙ্কা: গাইবান্ধায় বাসাবাড়ির এলপি গ্যাস দিয়ে অবাধে চলছে সিএনজি অটোরিকশা! প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা গোবিন্দগঞ্জে প্রতিবন্ধী লাল মিয়ার মুখে হাসি ফুটালেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার রামকৃষ্ণ বর্মন গাইবান্ধা জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ হিসাবে পুরস্কৃত হলেন,এ,কে,এম মেহেদী হাসান গোবিন্দগঞ্জের খন্দকার জাহাঙ্গীর আলম পুরনায় কৃষকলীগের কেন্দ্রীয় সদস্য নির্বাচিত ঢাকাস্থ গোপালগঞ্জ সাংবাদিক সমিতির কমিটি গঠন সভাপতি মামুন, সম্পাদক বাবুল সাদুল্লাপুরে এমব্রয়ডারি পল্লী পরিদর্শন করলেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় সচিব আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের আয়োজনে শেখ রাসেলের ৫৭তম জন্মদিন পালন বাড়ছে সেবার বহর,গ্রাম হবে শহর! ই-সেবার মাসব্যাপী ক্যাম্পেইনে কামারজানি ইউডিসি- গাইবান্ধা প্রতিদিন সুন্দরগঞ্জ উপজেলা পুকুর পাড়ে পার্কের ওয়াক ওয়ে ও লাইটিং এর উদ্বোধন ফুলছড়িতে খুন ও ডাকাত মামলার আসামি আব্দুল আলিম গ্রেফতার

গোবিন্দগঞ্জে নদী ভাঙ্গনে বিলীনের পথে মুক্তিযোদ্ধার কবর ও একটি পাড়া

সাজাদুররহমান সাজু গোবিন্দগঞ্জ প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৭১

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মহিমাগঞ্জের বাঙ্গালী নদীর তীরে চার মুক্তিযোদ্ধার বাড়িসহ একটি পাড়ার ১৫ টি বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। একটি ছোট বাড়িতে ঠাঁই নেয়া চার মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের আর কোন জায়গা-জমি না থাকায় বাড়ি স্থানান্তরের সুযোগ না পেয়ে এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

এমন ভাঙ্গন অব্যাহত থাকলে একজন মুক্তিযোদ্ধার কবরও হয়তো দুই-এক দিনের মধ্যই নদীগর্ভে হারিয়ে যাবে বলে আশংকা করছেন এলাকার লোকজন। পূর্বে দেওয়ানতলা রেলসেতুর কারণে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ নদীর ভাঙ্গনরোধে ব্যবস্থা নেয়ায় এ গ্রামের বাড়িগুলি নিরাপদে ছিল। কিন্তু বর্তমানে রেলসেতুর সামান্য উজানে সড়ক সেতু তৈরির পর এ গ্রামটিতে ব্যাপক ভাঙ্গনের কবলে পতিত হয়।

রেল বা পানি উন্নয়ন বোর্ড বাঙ্গালী নদীর এ অংশটির ভাঙ্গন রোধে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় গত এক দশক থেকে ভাঙ্গনের তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে। মুক্তিযোদ্ধার তরিকুল ইসলাম আক্ষেপ করে জানালেন, গত চার-পাঁচ বছর ধরে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা ও প্রশাসনের কাছে আবেদন করেও নদীভাঙ্গনরোধে কোন কার্যকরি ব্যবস্থা করানো সম্ভব হয়নি।

এবারের অকাল বন্যায় আমাদের বাড়িসহ অধিকাংশ বাড়িই নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়ার আশংকায় রয়েছে। আমার চাচা বীর মুক্তিযোদ্ধা লুৎফর রহমানের কবরটি থেকে এখন নদীর দূরত্ব মাত্র দশ-বার ফুট। এমন ভাঙ্গন অব্যাহত থাকলে হয়তো দুই/এক দিনের মধ্যেই কবরসহ বাড়িঘর নদীগর্ভে তলিয়ে যাবে। এ গ্রামের বাসিন্দা স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা হাফিজার রহমানের বাড়িও একইভাবে কয়েকবার স্থানান্তরের পর এখন নদীতে তলিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।

সময়মত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নেয়ায় নদীভাঙ্গন রোধ করা যায়নি। এর ফলে এখানকার অনেক পরিবারই নিঃস্ব হয়ে গেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। ইতোমধ্যে এখানকার অনেকেই অন্যত্র বাড়ি তৈরি করে চলে গেলেও অনন্যোপায় কয়েকটি পরিবার ভাঙ্গনের ঝুঁকি মাথায় নিয়ে এখানেই বসবাস করছেন। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গ্রামটিকে নদীর গ্রাস থেকে রক্ষা না করলে পাশের রেলসেতুটিও ঝুঁকির মধ্যে পড়বে বলে আশংকা করছেন এখানকার লোকজন। চলমান নদীভাঙ্গন রোধে অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপ কামনা করেছে এলাকাবাসী।

এ জাতীয় আরো খবর...

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | গাইবান্ধা প্রতিদিন

Theme Customized BY LatestNews