1. shahriarltd@gmail.com : GaibandhaPratidin :
  2. maydul@gaibandhapratidin.com : Maydul :
  3. info@gaibandhapratidin.com : Milon Sarkar : Milon Sarkar
  4. raju@gaibandhapratidin.com : Raju Sarker : Raju Sarker
  5. srridoy121@gmail.com : Samsur Rahman Ridoy : Samsur Rahman Ridoy
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২০, ০৬:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ফুলবাড়ি ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেন জাতীয় পাটির কেন্দ্রীয় সদস্য আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল চলে গেলেন শিক্ষানুরাগী আমির আলী তালুকদার সুন্দরগঞ্জে ১৩০ মন্ডপে শামীম হায়দার পাটোয়ারী এম,পি’র আর্থিক সহায়তা প্রদান ফুলছড়ি বালাসী রোডে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ৪ গোবিন্দগঞ্জে মাননীয় সংসদ সদস্য ও উপজেলা চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে বিভিন্ন পূজা মন্ডপে অর্থিক অনুদান প্রদান বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে দুর্গাপূজা পরিদর্শন সামাজিক অবক্ষয় রোধে গুণীজন, কঠোর আইন ও সচেতনতায় বন্ধ হবে ধর্ষণ গোবিন্দগঞ্জে মেয়র আতাউর রহমান সরকার এর বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শণ ও আর্থিক অনুদান প্রদান প্রবীন আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হক মৃত্যুতে এর নিরাপদ যানবাহন চাই এর চেয়ারম্যান এর শোক প্রকাশ। আগামী ১৩নং শ্রীপুর ইউনিয়ন পরিষদে নৌকার মাঝি হতে চান এ.কে.এম কামরুল হুদা (রাজু)

ফুলছড়িতে ভারি বর্ষণে তলিয়ে গেছে ৭শ’ হেক্টর জমির ফসল

হাবিবুর রহমান, স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৮০

গত কয়েকদিনের টানা ভারি বর্ষণ ও পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলায় ব্রহ্মপুত্র নদে পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ফুলছড়ির তিস্তামুখঘাট পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপদসীমার ২৬ সে.মি. নীচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়েছে। ফলে নদীবেষ্টিত এ উপজেলার নিম্নাঞ্চলগুলো প্লাবিত হয়েছে।

পানিতে নিমজ্জিত আছে প্রায় সাতশ হেক্টর জমির রোপা আমন ধান ও সবজিক্ষেত সহ পাথারের পর পাথার ফসলের ক্ষেত। তবে পানি বাড়লেও বন্যার সম্ভাবনা আপাদত নেই বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

টানা তিনবার বন্যায় ফুলছড়ি উপজেলার চরাঞ্চলের কৃষকের সব ফসল নষ্ট হয়ে যায়। এ ক্ষতি
পুষিয়ে নিতে ধার-দেনা করে জমিতে রোপা আমন বুনেছিলেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা। কিন্তু বর্ষার শেষ মওসুমে অসময়ের ভারি বৃষ্টিতে বেশিরভাগ আমনের জমি আবার পানিতে ডুবে গেছে। কাঁচা ধান ডুবে যাওয়ায় ক্ষতির মুখে পড়েছেন কৃষকরা। প্রায় সপ্তাহ খানেক লাগাতার বৃষ্টি থাকায় রোপা আমন ধানের ক্ষেত পঁচে যাচ্ছে।

কৃষকরা বলছেন, ওইসব জমিগুলো সদ্য রোপণ করার সাথে সাথে পানিতে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে। এভাবে বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর ফুলছড়ি উপজেলায় ৭ হাজার ২১৯ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধানের চাষ করা হয়েছে। তারমধ্যে গত কয়েকদিনের বর্ষণে ৫৪০ হেক্টর জমির আমন ধানের ক্ষেত পানিতে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে। এছাড়া উপজেলায় মাসকালাই ৩০ হেক্টর, ২০ হেক্টর জমির শাকসবজি ৬০ হেক্টর ফসল পানিতে ডুবে গেছে।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, প্রান্তিক কৃষকদের চলতি মৌসুমে রোপণ করা রোপা আমন ক্ষেত তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকরা দিশাহারা হয়ে পড়েছেন। এক সপ্তাহের ভারী বর্ষণে কারণে উপজেলার উড়িয়া ইউনিয়নের মধ্য উড়িয়া, কালাসোনা, রতনপুর, কাবিলপুর, উদাখালী ইউনিয়নের কাঠুর, ছালুয়া, সিংড়িয়া, উদাখালী, গজারিয়া ইউনিয়নের কাতলামারী, ঝানঝাইর, জিয়াডাঙা, ফুলছড়ি ইউনিয়নের নামাপাড়া, গাবগাছি, কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের রসুলপুর, ভাষারপাড়া, সাতারকান্দি, এরেন্ডাবাড়ী ইউনিয়নের বুলবুলির চর, আলগারচর,জিগাবাড়ী, হরিচন্ডি, ফজলুপুর ইউনিয়নের
উজালডাঙ্গা, খাটিয়ামারী, বাজেতেলকুপি বিভিন্ন গ্রামে পানি বৃদ্ধির ফলে নিম্নাঞ্চলের আমন ধানের ক্ষেত তলিয়ে গেছে।

মধ্য উড়িয়া গ্রামের প্রান্তিক কৃষক হারুন মিয়া বলেন, টানা তিনবারের বন্যায় আগের সব ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। ধার-দেনা করে দুই বিঘা জমিতে আমন ধানের চাষ করেছিলাম। কিন্তু এখন সেই ফসল পানির নিচে ডুবে আছে। কী করবো ভেবে পাচ্ছিনা।

প্রায় একই ধরনের কথা জানান, রতনপুর গ্রামের কৃষক মমিন মিয়া, উত্তর উড়িয়া গ্রামের আলী আজম, মশিউর রহমান সহ অনেকে। তারা দাবী করেন, এখন জমির ফসল নষ্ট হয়ে গেলে আর চাষাবাদ করার সময় বা সামর্থ্য কোনও কিছুই হবে না।

ফজলুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু হানিফ প্রামাণিক বলেন, ভারি বর্ষণের কারণে চরাঞ্চলের অধিকাংশ জমির ফসল পানির নিচে তলিয়ে আছে। পানির নিচে আমনের ক্ষেত তলিয়ে থাকায় সেগুলো পচে যাবে। পানি কমে যাওয়ার সাথে সাথে কৃষকদের দ্রুত পুনর্বাসনের দাবী জানান তিনি।

এ বিষয়ে ফুলছড়ি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফাতেমা কাওছার মিশু বলেন, নিম্নাঞ্চলে বেশিরভাগ আমন ধানের জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। আমনক্ষেত থেকে দ্রুত পানি নেমে গেলে খুব বেশি ক্ষতি হবে না। তবে পানিতে দেরিতে নামলে ক্ষয়ক্ষতি বাড়বে। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে কৃষকদের সবজিবীজ দেয়া হচ্ছে। তাছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা করার জন্য উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ জাতীয় আরো খবর...

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | গাইবান্ধা প্রতিদিন

Theme Customized BY LatestNews