1. shahriarltd@gmail.com : GaibandhaPratidin :
  2. maydul@gaibandhapratidin.com : Maydul :
  3. info@gaibandhapratidin.com : Milon Sarkar : Milon Sarkar
  4. raju@gaibandhapratidin.com : Raju Sarker : Raju Sarker
  5. srridoy121@gmail.com : Samsur Rahman Ridoy : Samsur Rahman Ridoy
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০, ০৪:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আগামী প্রজন্ম কে মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ থেকে রক্ষা করতে খেলাধুলার কোন বিকল্প নেই-এ্যাড. উম্মে কুলসুম স্মৃতি এমপি  ধানের সাথে ফেন্সিডিল মজুত পরিকল্পনা? ” স্বপ্ন চুড়ায় পৌঁছানোর আগেই গোয়েন্দার হাতে চাতাল ব্যবসায়ী মোতাহার আটক ! ফুলছড়িতে সাংবাদিকদের সাথে ওসির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গাইবান্ধায় বিএনপির নেতা খন্দকার আহাদ আহমেদের উদ্যোগে শারদীয় দূর্গোৎসব উপলক্ষে দরিদ্র সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে শাড়ি বিতন সুন্দরগঞ্জে ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগের আনন্দ মিছিল গোবিন্দগঞ্জে বিদ্যুৎ বিভাগের বিরুদ্ধে মানববন্ধণ ও স্মারক লিপি প্রদান গাইবান্ধায় চাচার ধর্ষণের শিকার ষষ্ঠ শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রী! গাইবান্ধায় স্বতন্ত্র মাদ্রাসা জাতীয়কররণের দাবীতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় রাজাহার ইউনিয়নে ইউপি সদস্য পদে এভিএমএ অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে জলি বেগম নির্বাচিত পথশিশুদের মাঝে শাহনূরের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

অভাগিনী

ফেরদৌস মন্ডল
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ১৩২
বলি এতো রূপ নিয়া গরীবের ঘরে তোরে জন্মাইতে কে কইছিল শুনি ? তুই মর! মর! মর!
কথাগুলো এক নিঃশ্বাসে বলেই মেয়েকে বুকে জড়িয়ে ধরে ডুকরে কেঁদে উঠল কমলা। কোন কুক্ষণে যে তোর মাতাল বাপটার জৈবিক তাড়না আর বীভৎস কামনার আকর্ষণ আমাকে পুড়িয়ে খাক করে দিয়েছিল কে জানে।
তুই পেটে এলি আর সেই মাতাল অন্য বেটিতে মইজে গিয়ে আমায় ছাড়লো। পাশের বাড়ির মজনু একটু বেশিই খোঁজ খবর রাখতো আমার। বোঝতাম আমায় দেখলেই কেমন শিকারি বেড়ালের মতো ছোঁক ছোঁক করতো। কেমন মিহি স্বরে কথা বলতো। একদিন রাতে বাজার থেকে ফেরার সময় স্কুল মাঠের সেই অন্ধকার জায়গাতে আমার হাত দুইখানা চেপে ধরি কি অনুনয় বিনয়! আমাকে বিনিময়ে সোনা-দানায় ভরিয়ে দিতে চেয়েছিল।
আর যে বাড়িতে কাজ করতাম সেই সাহেবও একদিন বৌদিকে বাপের বাড়ি পাঠিয়ে আমাকে একটু আদর করতে এসেছিল। একটা থাপ্পর কষিয়ে ছুটে এসে ঘরে খিল দিয়েছিলাম আর ভাইবেছিলাম, রাতে রেললাইনে মাথা দিয়ে সব জ্বালা জুড়োই। কিন্তু যখন ট্রেনটা প্রবল গতিতে ধেয়ে আসছে, কখন তোর মা ডাক আমায় মরতে দিল না।
নাহ! আমার আর মরা হইলো না রে মা! আমার দেহ জুড়ে তখন তোর কি দাপাদাপি! একা রাইতে শুয়ে বারবার পেটে হাত বোলাইতাম। একটা বেয়াড়া ঝড় বুকের মধ্যে সবসময় যাতায়াত কইরতো! কি একটা সুখ! কি একটা তৃপ্তি! বোধহয় একেই বলে মাতৃত্ব ।
তুই যখন বড় হলি তোর শরীরের প্রতিটা ভাঁজ আমাকে মনে করিয়ে দিত আমার সর্বনাশের ভয়াবহ সেই দিনগুলোর কথা! মনে মনে খালি ভাবিতাম, চিল শকুনের ছো মারা দৃষ্টি থেকে কি করে তুই নিজেকে বাঁচাইবি রে হতভাগী!
তুই যখন কলেজ যাস দেখিস না, বাসে তোর হাতের উপর হাত রাখার জন্য কত শেয়াল পেছনে লেগে থাকে। তোর শরীর স্পর্শ করার জন্য কুত্তাগুলা কেমন করে! কতজন তোর শরীর দেখে নিজের ঠোঁট কামড়ায়! আমরা যে গরীব। তাই ওরা আমাদের সামনে টাকার থলে নাচায়; ইশারায় ডাকে ওদের রাতের বিছানায়।
তোর মাতাল বাপটার সঙ্গে সেদিন রাস্তায় দেখা হয়েছিল। গলায় মস্ত সোনার চেন, বিড়ি ছেড়ে গান্জা ধরেছে। নেশা করতে এখন তার টাকা লাগে না। হাত কাটা মন্জুর ডান হাত সে। এখন তোর দিকে নজর পইড়েছে তোর আপন বাপের। তাই আইজ থেকে সঙ্গে একটা ছুরিও রাখিস মা। মাতাল বেটা বলা তো যায়না কখন কবে তোকে নিয়ে দিয়ে দিবে মন্জুর হাতে তুলে।
এ জাতীয় আরো খবর...

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | গাইবান্ধা প্রতিদিন

Theme Customized BY LatestNews