1. shahriarltd@gmail.com : GaibandhaPratidin :
  2. maydul@gaibandhapratidin.com : Maydul :
  3. info@gaibandhapratidin.com : Milon Sarkar : Milon Sarkar
  4. raju@gaibandhapratidin.com : Raju Sarker : Raju Sarker
  5. srridoy121@gmail.com : Samsur Rahman Ridoy : Samsur Rahman Ridoy
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০, ০২:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে যুবদলের ৪২-তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত গাইবান্ধায় যুবদলের ২৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত খোলাহাটী ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান মিজানের বিজয় দশমীতে শুভেচ্ছা বিনিময় ফুলছড়িতে ১০ বছরের শিশুর আত্মহত্যা আধুনিক ইউনিয়ন পরিষদ বিনির্মানে একধাপ এগিয়ে ১১ নং গিদারী ইউনিয়ন! সম্মাননায় ভূষিত ইদু চেয়ারম্যান গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার শালমারা ইউনিয়ন পরিষদ উপনির্বাচন উপলক্ষে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে নিবাচনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ফুলবাড়ি ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেন জাতীয় পাটির কেন্দ্রীয় সদস্য আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল চলে গেলেন শিক্ষানুরাগী আমির আলী তালুকদার সুন্দরগঞ্জে ১৩০ মন্ডপে শামীম হায়দার পাটোয়ারী এম,পি’র আর্থিক সহায়তা প্রদান ফুলছড়ি বালাসী রোডে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ৪

ফুলছড়িতে ভূশির ভিটা গ্রামে এক সপ্তাহে নদী ভাঙ্গনে শতাধিক পরিবার নিঃস্ব,নেই মাথা গোজার ঠাই

হাবিবুর রহমান, স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ২৯৯

বন্যার ধকল কাটতে না কাটতেই আরেক বিপদের সম্মুখিন হয়েছে গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার উড়িয়া ইউনিয়নের নদী পাড়ের মানুষগুলো। তাদের মাঝে আতংক হয়ে দেখা দিয়েছে নদী ভাঙন। গত এক সপ্তাহে নদী ভাঙনের শিকার হয়ে শতাধিক পরিবারের ঘর-বাড়ি, ফসলি জমি, গাছ, কবরস্থান নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। তীব্র ভাঙনের মুখে রয়েছে আরও শতাধিক পরিবারের বাড়ি ও ফসলি জমি।

কিছুদিন আগেই বন্যার পানিতে তলিয়ে গিয়েছিল ঘর-বাড়ি ও আবাদী ফসল। বন্যার ক্ষয়ক্ষতির পর তারা বাড়িঘরে উঠেছেন মাত্র। বিপদ যেন পিছু ছাড়ছে না তাদের। বন্যার ধকল কাটতে না কাটতে দেখা দিয়েছে নদী ভাঙন। ব্রহ্মপুত্র নদের ব্যাপক ভাঙনে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন অনেকে। কোথায় গেলে মাথা গোঁজার ঠাঁই পাবেন এমন চিন্তায় উদ্বিগ্ন ভাঙন কবলিত মানুষগুলো। অনেকে নিরুপায় হয়ে নদী পাড়েই আবার ঘর উঠিয়ে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন। ফুলছড়ি উপজেলার উড়িয়া ইউনিয়নের ভুষিরভিটা এলাকায় গত এক সপ্তাহে শতাধিক পরিবার নদী ভাঙনের শিকার হয়ে বাস্তুভিটা হারিয়েছেন। এবারের তিন দফা বন্যার পর থেকে ইতিমধ্যে ভূষিরভিটা গ্রামের এক চতুর্থাংশ এলাকার দুই শতাধিক পরিবার নদী ভাঙনে শিকার হয়েছেন। সেখানে নদী তীরের ভাঙনের দৃশ্য চোখে পড়ছে। নদীর পাড় ভেঙে পড়া মাটির চাকাও দৃশ্যমান। ভাঙন কবলিত মানুষগুলোর সহযোগিতায় এখন পর্যন্ত এগিয়ে আসেনি কেউ। নদী ভাঙনরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহনের দাবী জানিয়েছে ভুক্তভোগীরা।

একাধিকবার নদী ভাঙনের শিকার দাম উল্লাহ (৯০), কাইয়ুম মিয়া (৭৫) ও ছন্দবাদ মিয়া (৪০) সহ অনেকে জানান, এক সময় আমাদের জমিজমা, ফসল, ঘর-বাড়ি সবই ছিল। সর্বনাশা নদী ভাঙনে আমাদের সবকিছু কেড়ে নিয়েছে। আজ কোথায় গিয়ে আশ্রয় নিব, ভেবে পাচ্ছি না। সর্বশেষ দুইদিন আগে বসতভিটা হারানো ময়না বেগম (৭০) বলেন, কালাসোনা গ্রামে তাদের আদিনিবাস ছিল। এ পর্যন্ত সাতবার নদী ভাঙনের শিকার হয়ে বাড়িঘর সরিয়েছি। এবার কোথায় যাবো এ চিন্তায় দিশেহারা। তিনি বলেন, ভাদ্র মাসে যে ভাঙন শুরু হয়েছে এমন ভাঙন জীবনেও দেখিনি।

এ ব্যাপারে গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোকলেছুর রহমান জানান, বাংলাদেশ অভ্যন্তরিন নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডাবিউটিএ) ওই পয়েন্টে নদী পুনঃখননের লক্ষে ড্রেজিং করায় ওই এলাকায় পানির স্রোত বেড়ে গেছে। আমরা পুনঃখনন কাজে আপত্তি করেছিলাম কিন্তু শোনা হয়নি। বিআইডাবিউটিএ নদীর পাড় ঘেষে ড্রেজিং করার কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে আপাদত এই ভাঙন রোধে কোন কর্মসূচি নেই।

এ জাতীয় আরো খবর...

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | গাইবান্ধা প্রতিদিন

Theme Customized BY LatestNews