1. shahriarltd@gmail.com : GaibandhaPratidin :
  2. maydul@gaibandhapratidin.com : Maydul :
  3. info@gaibandhapratidin.com : Milon Sarkar : Milon Sarkar
  4. raju@gaibandhapratidin.com : Raju Sarker : Raju Sarker
  5. srridoy121@gmail.com : Samsur Rahman Ridoy : Samsur Rahman Ridoy
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২০, ১২:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফুলছড়িতে সাংবাদিকদের সাথে সমাজসেবক আব্দুর রশিদ বিদ্যুৎ’র মতবিনিময় আগামী প্রজন্ম কে মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ থেকে রক্ষা করতে খেলাধুলার কোন বিকল্প নেই-এ্যাড. উম্মে কুলসুম স্মৃতি এমপি  ধানের সাথে ফেন্সিডিল মজুত পরিকল্পনা? ” স্বপ্ন চুড়ায় পৌঁছানোর আগেই গোয়েন্দার হাতে চাতাল ব্যবসায়ী মোতাহার আটক ! ফুলছড়িতে সাংবাদিকদের সাথে ওসির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গাইবান্ধায় বিএনপির নেতা খন্দকার আহাদ আহমেদের উদ্যোগে শারদীয় দূর্গোৎসব উপলক্ষে দরিদ্র সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে শাড়ি বিতন সুন্দরগঞ্জে ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগের আনন্দ মিছিল গোবিন্দগঞ্জে বিদ্যুৎ বিভাগের বিরুদ্ধে মানববন্ধণ ও স্মারক লিপি প্রদান গাইবান্ধায় চাচার ধর্ষণের শিকার ষষ্ঠ শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রী! গাইবান্ধায় স্বতন্ত্র মাদ্রাসা জাতীয়কররণের দাবীতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় রাজাহার ইউনিয়নে ইউপি সদস্য পদে এভিএমএ অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে জলি বেগম নির্বাচিত

প্রতিযোগিতা ডায়াগনষ্টিক সেন্টার দেয়ার ১৬৭টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার গাইবান্ধায় ? (পর্ব -১)

মনিরুজ্জামান খান
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২০
  • ২৮৬

গাইবান্ধা জেলায় সর্বত্র চিকিৎসার নামে নাম সবর্স্ব ক্লিনিক ডায়াগনষ্টিক সেন্টার, প্রতারনা শিকার হচেছন সাধারন মানুষ।

ছড়িয়ে পড়ছে ডায়াগনস্টিক সেন্টার,চলছে প্রতিযোগিতা ডায়াগনষ্টিক সেন্টার দেয়ার গাইবান্ধা জেলায় ,গাইবান্ধা সিভিল সার্জন অফিসের তথ্যমতে গাইবান্ধা ১৬৭টি ডায়াগনষ্টিক সেন্টার রয়েছে,জানিয়াছেন সিভিল সার্জন অফিস সহকারী আনোয়ার মিয়া। তবে প্রতিবেদনে উঠে আসে ভিন্ন চিএ অন্য অন্য জেলার চেয়ে ডায়াগনস্টিক সেন্টার অনেক বেশি গাইবান্ধায়, সেন্টার গুলোতে শুধুই পরিক্ষা- নিরিক্ষার রমরমা ব্যবসা,এবিষয়ে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজের নাক কান গলা বিশেষজ্ঞ ডাঃ খুরশিদ আলম বলেন , আমার এই ধরনের চিকিৎসা কোন ডি এল ও বা টেকনোলজিস্ট সামান্য প্রশিক্ষণ নিয়ে এই ধরনের চিকিৎসা দিতে পারবেনা এটা আইনত অপরাধ।ও মানুষের জানমালের ক্ষতি এতে বড় ধরনের মৃত্যুর ঝুঁকি রয়েছে,এটি বিশেষ ধরনের শরীর অঙ,অন্যদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হসপিটাল ডাঃ মাহামুদুল ইসলাম মিমো বলেন কোন বিষয়ের উপর ডিগ্রি ছাড়া বা ডিপ্লোমা মেডিকেল প্যাথলজিক্যালের উপর পড়াশোনা ছাড়া পরিক্ষা- নিরিক্ষা করতে পারবেনা, ইসিজি,এক্সরে ইউরিন রক্ত সহ পরিক্ষা করার কোন সুযোগ নেই,গাইবান্ধা সদর হাসপাতালের ডেন্টাল ডাঃ মোঃ সাইদুর রহমান বলেন নামে মাএ প্রশিক্ষণ নিয়ে দাতের কোন চিকিৎসা দিতে পারবেনা।

ওই বিষয়ের উপর লেখা- পড়া করতে হবে।যদি কেউ চিকিৎসা দেয় তা কোন ভাবেই কাম্যনয় তা আইনগত অপরাধ, দাতের সাথে শরীর বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে, দাতের উপর কয়েক মাসের প্রশিক্ষণ নিয়ে চিকিৎসা দিতে পারবেনা, জেনারেল পড়ুয়া আয়াসহ বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কম টাকার বিনিময়ে চলছে তাদের দায়সারা ভাবে পরিক্ষা- নিরিক্ষার কাজ, এজন্য জেলায় অবহেলিত ভাবে রোগীর মৃত্যুর সংখ্যাও অনেক বেশী স্থানীয় পএিকার রিপোর্ট অনুযায়ী, এবং বিভিন্ন ভাবে রোগী রাস্তায় সন্তান প্রসাবসহ অক্সিজেন মাক্স খোলাসহ গাইবান্ধার রোগীদের অভিযোগ যেন শেষ নেই।

প্রশাসন নির্বিকার। জানা গেছে নামে বেনামে চলছে ডায়াগনষ্টিক সেন্টার, গাইবান্ধা সিভিল সার্জন অফিসের তথ্যমতে গাইবান্ধা ১৬৭টি ডায়াগনষ্টিক সেন্টার রয়েছে এর মধ্যে ৭৯টির আছে অনুমোদন প্রাপ্ত,তাও আবার বেশি ভাগের কাগজপত্র মেয়াদ নেই, বাকীগুলো চলছে মনগড়ামতো। অন্যদিকে সিভিল সার্জন অফিসের তথ্যমতে গাইবান্ধা জেলায় ক্লিনিক আছে ৩৭টি, অনুমোদন আছে ২৫টির, তাহলে অন্যগুলো চলছে জোড়া তালি দিয়ে, আবার ডেন্টাল চেম্বার ৫০/৬০টি রয়েছে একটিরো অনুমোদন নেই, শুধুই নৈরাজ্য চিকিস্যা সেবার নামে, প্রয়োজনীয় ডাক্তার অবকাঠামো ও বৈধ কাগজপত্র না নিয়ে ডায়াগনস্টিক সেন্টার গড়ে তোলার প্রতিযোগিতা চলছে, ছড়িয়ে পড়ছে গ্রাম-গঞ্জে।

যত্রতত্র ভাবে গড়ে উঠছে এই ডায়াগনস্টিক সেন্টার দেখার কেউ নেই, ডায়াগনস্টিক সেন্টার গুলোর বেশির ভাগেরেই কোন বৈধতা নেই কাগজ-পত্রের মেয়াদ নেই তাহলে চলছে কিভাবে এনিয়ে ভিন্ন মত রয়েছে।তব
এ বিষয়ে মানবাধিকার কর্মী একেএম সালাউদ্দিন কাসেম মনে করেন মনিটরিং এর অভাব, অন্যদিকে অনিয়মের অভিযোগ উঠলে তদন্ত হয় বাস্তবমুখী ব্যবস্থা নেওয়া হয়না তাই জরুরী ভিওিতে মানুষের সঠিক চিকিস্যা সেবা নিশ্চিত করতে জোরদাবী জানান। অন্যদিকে ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের দৌরাত্ব বেড়েই চলছে। চিকিস্যা সেবা নিয়ে চলছে ভয়াবহ বানিজ্য ডায়াগনষ্টিক সেন্টার গুলোতে, ডাক্তার বসিয়ে পরিক্ষা নিরীক্ষার নামে চলে শুধুই টেষ্ট, আদো কি এতো পরিক্ষা-নিরীক্ষার দরকার আছে জানেন না রোগীরা, আবার একই পরিক্ষা রংপুরে করলে রির্পোট আসে ভিন্ন এতে পরিক্ষার মান নিয়ে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন। তাহলে আসলে নাম দেখানো পরীক্ষার দরকার আছে কি, প্রতিনিয়ত রোগিরা হচেছন প্রতারণার শিকার।

তবে মূলত দালালরা রোগীকে মারাত্বক অসুখের ভয় দেখিয়ে দালালরা নিয়ে আসেন ডায়াগনষ্টিক সেন্টার গুলোতে নিরীহ মানুষ পড়ছেন তাদের খপ্পড়ে, এতে করে রোগীর জন প্রতি কমিশন নেন দালালরা অন্যদিকে মালিকরা হাতিয়ে নিচেছন হাজার হাজার টাকা, আবার অন্যদিকে ডাক্তারের সাইনবোর্ড ও রং বেরংয়ের প্যানা লাগিয়ে চলে রোগীদের আকর্ষণ করার আরেকটি কৌশল,তাই প্রশাসনের ব্যবস্থা গ্রহনে বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন সূধীজন তা না হলে মানুষের প্রান নাশের আশংখ্যা সহ নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে । (পরবর্তী সংখ্যা )

এ জাতীয় আরো খবর...

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | গাইবান্ধা প্রতিদিন

Theme Customized BY LatestNews