1. shahriarltd@gmail.com : GaibandhaPratidin :
  2. maydul@gaibandhapratidin.com : Maydul :
  3. info@gaibandhapratidin.com : Milon Sarkar : Milon Sarkar
  4. raju@gaibandhapratidin.com : Raju Sarker : Raju Sarker
  5. srridoy121@gmail.com : Samsur Rahman Ridoy : Samsur Rahman Ridoy
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০, ০৫:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আগামী প্রজন্ম কে মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ থেকে রক্ষা করতে খেলাধুলার কোন বিকল্প নেই-এ্যাড. উম্মে কুলসুম স্মৃতি এমপি  ধানের সাথে ফেন্সিডিল মজুত পরিকল্পনা? ” স্বপ্ন চুড়ায় পৌঁছানোর আগেই গোয়েন্দার হাতে চাতাল ব্যবসায়ী মোতাহার আটক ! ফুলছড়িতে সাংবাদিকদের সাথে ওসির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গাইবান্ধায় বিএনপির নেতা খন্দকার আহাদ আহমেদের উদ্যোগে শারদীয় দূর্গোৎসব উপলক্ষে দরিদ্র সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে শাড়ি বিতন সুন্দরগঞ্জে ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগের আনন্দ মিছিল গোবিন্দগঞ্জে বিদ্যুৎ বিভাগের বিরুদ্ধে মানববন্ধণ ও স্মারক লিপি প্রদান গাইবান্ধায় চাচার ধর্ষণের শিকার ষষ্ঠ শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রী! গাইবান্ধায় স্বতন্ত্র মাদ্রাসা জাতীয়কররণের দাবীতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় রাজাহার ইউনিয়নে ইউপি সদস্য পদে এভিএমএ অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে জলি বেগম নির্বাচিত পথশিশুদের মাঝে শাহনূরের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

গাইবান্ধায় সোনালী আঁশে সম্ভাবনায় স্বপ্ন,বুনছেন চাষিরা

মোঃ রাজু সরকার- স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২০
  • ৮৬
  • তিন দফা বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন চাষিরা। গাইবান্ধার প্রচলিত আবাদের একটি বড় অংশ। সোনালি আঁশ পাট সোনাফলা ফসলের মাঠে পাট আবাদ হবে না এমনটা ভাবতেই পারেননা এখানকার কৃষক।

    করোনাকালে এবার বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন গাইবান্ধার চাষিরা। কৃষিতে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে না পারলে এর প্রভাব পড়বে বছরজুড়ে। তিন দফা বন্যায় জেলার চরাঞ্চলসহ নিম্নাঞ্চলের বীজতলা,

    আউশের ক্ষেত, সবজি বাগান, চীনাবাদাম, কাউন, তিল ও মরিচসহ ২ হাজার ৫শ’ ৩৩ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়েছে। এরমধ্যে ১ হাজার ৯শ’ ১৩ হেক্টর জমির পাটের আবাদ সম্পুর্ণ নষ্ট হয়েছে। তবে জেলার ১৩ হাজার ৮৭ হেক্টর জমির পাটের আবাদ বানের ছোবল থেকে রক্ষা পেয়েছে। তাই সোনালী আঁশে সম্ভাবনার রোদ দেখছেন চাষিরা।

    পাট কাটার মৌসুম প্রায় শেষ হলেও বানের পানি নেমে যাওয়ার পর পাট কেটে ছাল পচাতে জাগ দিচ্ছেন তারা। এরপর পাটের আঁশ ছাড়িয়ে, আঁশ ধোয়া ও শুকিয়ে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে চান এ অঞ্চলের কৃষকরা। পাট এখানকার গ্রামীণ জনপদের পারিবারিক জীবনে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

    পাটের কিছুই ফেলনা নয়। পাটকাটা, জাগ দেয়া, আঁশ ছাড়ানো, আঁশ ধোয়া ও রোদে শুকানো সবমিলিয়ে পাট হাটে নিতে কৃষকের আরও কিছুদিন সময় লাগবে। তাই পাট নিয়ে ব্যস্ততা বেড়েছে চাষিদের। করোনা আর দীর্ঘায়িত বন্যার ধকল কাটিয়ে সোনালী আঁশে সোনালী স্বপ্নের দিন গুনছেন তারা।

    তবে সরকারি পাটকল বন্ধে পাটের ভবিষ্যত নিয়ে দেখা দিয়েছে নানা অনিশ্চয়তা। অন্যদিকে যত কম দামে পাট কেনা যায় সে লক্ষ্য নিয়ে তৎপর রয়েছে বেসরকারী পাটকলগুলো। সোনালী আঁশে যে লাভের সোনালী স্বপ্ন দেখছেন কৃষক, বাজারে পাটের ন্যায্য দাম না পেলে সে স্বপ্ন ভেঙ্গে যাবার শঙ্কা রয়েছে তাদের। পাট দেশের অন্যতম অর্থকরী ফসল হলেও সরকারীভাবে ধান-চালের মত পাটের দাম নির্ধারণ করা হয়নি। ফলে প্রান্তিক পর্যায়ে হাট-বাজারগুলোতে মধ্যস্বত্তভোগী পাট কারবারীরা বেপরোয়া হয়ে ওঠে। ভাল দাম পাবার আশায় হাটে-বাজারে পাট আনলেও কাংখিত দাম না মেলায় হতাশ হয়ে ফিরে যায় কৃষক।

    কৃষকেরা বলছেন, সিন্ডিকেটের কারণে ধানের ন্যায্যমূল্য না পেয়ে সারা দেশে কৃষকদের বিপাকে পড়তে হয়েছে। পাটের আবাদ করতে বিঘাপ্রতি সব মিলিয়ে প্রায় ১০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।

    পাট উৎপাদন হয়েছে প্রতি বিঘায় ৮ থেকে ১২ মণ। তবে ধানের মতো বাজারে পাটের দাম কমে গেলে তাঁদের সীমাহীন ক্ষতি হবে। তাই চাষিরা পাটের ন্যায্যমূল্য পেতে চলতি মৌসুমে দর নির্ধারণে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

    জেলার সদর উপজেলার মালীবাড়ি ইউনিয়নের ঝাউবাড়ি গ্রামের পাটচাষি একরামুল হোসেনের সাথে কথা হলে তিনি বলেন,এবার তিনি চার বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছেন। গতবারের মতো এবারও ফলন ভালো হয়েছে। তবে দাম নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন।

    তিনি আরও বলেন এখন পর্যন্ত বাজারে পাটের যে দাম রয়েছে, এই দাম অব্যাহত থাকলে হয়তো কৃষকেরা এবার কিছুটা লাভের মুখ দেখবেন।
এ জাতীয় আরো খবর...

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | গাইবান্ধা প্রতিদিন

Theme Customized BY LatestNews