1. shahriarltd@gmail.com : GaibandhaPratidin :
  2. maydul@gaibandhapratidin.com : Maydul :
  3. info@gaibandhapratidin.com : Milon Sarkar : Milon Sarkar
  4. raju@gaibandhapratidin.com : Raju Sarker : Raju Sarker
  5. srridoy121@gmail.com : Samsur Rahman Ridoy : Samsur Rahman Ridoy
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২০, ১২:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফুলছড়িতে সাংবাদিকদের সাথে সমাজসেবক আব্দুর রশিদ বিদ্যুৎ’র মতবিনিময় আগামী প্রজন্ম কে মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ থেকে রক্ষা করতে খেলাধুলার কোন বিকল্প নেই-এ্যাড. উম্মে কুলসুম স্মৃতি এমপি  ধানের সাথে ফেন্সিডিল মজুত পরিকল্পনা? ” স্বপ্ন চুড়ায় পৌঁছানোর আগেই গোয়েন্দার হাতে চাতাল ব্যবসায়ী মোতাহার আটক ! ফুলছড়িতে সাংবাদিকদের সাথে ওসির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গাইবান্ধায় বিএনপির নেতা খন্দকার আহাদ আহমেদের উদ্যোগে শারদীয় দূর্গোৎসব উপলক্ষে দরিদ্র সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে শাড়ি বিতন সুন্দরগঞ্জে ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগের আনন্দ মিছিল গোবিন্দগঞ্জে বিদ্যুৎ বিভাগের বিরুদ্ধে মানববন্ধণ ও স্মারক লিপি প্রদান গাইবান্ধায় চাচার ধর্ষণের শিকার ষষ্ঠ শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রী! গাইবান্ধায় স্বতন্ত্র মাদ্রাসা জাতীয়কররণের দাবীতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় রাজাহার ইউনিয়নে ইউপি সদস্য পদে এভিএমএ অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে জলি বেগম নির্বাচিত

খেলা বন্ধ, খাঁ খাঁ করছে গাইবান্ধার স্টেডিয়াম মাঠ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২০
  • ১১৩
করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে প্রায় দুই মাস ধরে গাইবান্ধায় খেলাধুলা বন্ধ। খাঁ খাঁ করছে জেলার ঐতিহ্যবাহী ও ব্যস্ততম শাহ আবদুল হামিদ স্টেডিয়াম।

তিন দিকে বড় বড় গ্যালারি। আরেকদিকে প্রশাসনিক ভবন। মাঝখানে বিশাল খেলার মাঠ। এটি গাইবান্ধার ঐতিহ্যবাহী ও ব্যস্ততম শাহ আবদুল হামিদ স্টেডিয়াম। এখানে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কোনো না কোনো খেলা চলতো। মাঠটি কখনো ফাঁকা থাকেনি। করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে প্রায় দুই মাস ধরে খেলাধুলা বন্ধ। ফাঁকা পড়ে আছে মাঠটি।

জেলা ক্রীড়া সংস্থা সূত্র জানায়, এই মাঠে প্রতিদিনই কোনো না কোনো টুর্নামেন্ট বা লীগের খেলা চলতো। খেলা না থাকলে খেলার প্রশিক্ষণ চলতো। খেলোয়াড়দের সমাগমে মুখরিত থাকত। কিন্তু করোনার কারণে প্রায় দুই মাস ধরে এমন দৃশ্য আর চোখে পড়ে না।

গাইবান্ধা শহরের প্রফেসর কলোনী এলাকার খেলোয়াড় সাজ্জাদ হোসেন (২২) বলেন, ‘আগে কলেজ থেকে ফিরে মাঠে খেলতে যেতাম। এটা রুটিন হয়ে গিয়েছিল। এখন সেই রুটিন পাল্টে গেছে। করোনাভাইরাস সংক্রমণের ভয়ে খেলাধুলা বন্ধ। এখন বিকেল হলেই খারাপ লাগে। কলেজও বন্ধ। পড়াশোনার ফাঁকে মোবাইলে ফেসবুক চালাই। বন্ধুদের সঙ্গে ফোনে কথা বলি।’

গাইবান্ধা সদর উপজেলার পশ্চিম কোমরনই এলাকার খেলোয়াড় সুমনা আক্তার (২০)। তিনি বলেন, ‘প্রতিদিন বিকেলে স্টেডিয়াম মাঠে যেতাম। খেলাধুলা করতাম। বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতাম। বিকেল হলেই মাঠে যাওয়ার জন্য মনটা ছটফট করে। কিন্তু করোনাভাইরাসের ভয়ে যেতে পারছি না।’

গাইবান্ধা শহরের ব্রিজরোডের খেলোয়াড় নাসিমা আক্তার (২১) বলেন, ‘আগে খেলাধুলা করতাম, শরীর ভালো থাকতো। মনে উৎসাহ পেতাম। সেই উৎসাহ কাজে লাগিয়ে লেখাপড়া করতাম। দুই মাস ধরে করোনার কারণে বাসায় থেকে যেন অলস হয়ে গেছি। আর ভালো লাগছে না। সারাক্ষণ ভাবছি, কবে করোনা চলে যাবে, আবার খেলতে পারব।’

গাইবান্ধা শহরের মধ্যপাড়া এলাকার সাবেক ক্রিকেটার ওয়াজিউর রহমান বলেন, ‘আগে কিশোর–তরুণরা খেলাধুলার মধ্যে ডুবে থাকতো। তাদের মধ্যে প্রতিভার বিকাশ ঘটতো। তাদের দ্বারা খারাপ কাজ হতো না। করোনার কারণে এখন খেলাধুলা বন্ধ। কিশোর ও তরুণদের প্রতিভার বিকাশ ঘটছে না।’

এ প্রসঙ্গে শনিবার বিকেলে গাইবান্ধা জেলা ক্রীড়া সংস্থার অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক মৃদুল মুস্তাফিজ বলেন, ‘গাইবান্ধা খেলাধুলায় সমৃদ্ধ। এখানকার অনেক খেলোয়াড় ফুটবল ও ক্রিকেটে জাতীয় পর্যায়ে সুনাম অর্জন করেছেন। স্টেডিয়াম মাঠে প্রতিদিনই খেলাধুলা চলতো। করোনার থাবায় সবকিছু বদলে গেল।’

 

সূত্র: প্রথম আলো

এ জাতীয় আরো খবর...

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | গাইবান্ধা প্রতিদিন

Theme Customized BY LatestNews