1. shahriarltd@gmail.com : GaibandhaPratidin :
  2. maydul@gaibandhapratidin.com : Maydul :
  3. info@gaibandhapratidin.com : Milon Sarkar : Milon Sarkar
  4. raju@gaibandhapratidin.com : Raju Sarker : Raju Sarker
  5. srridoy121@gmail.com : Samsur Rahman Ridoy : Samsur Rahman Ridoy
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০, ০৪:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আগামী প্রজন্ম কে মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ থেকে রক্ষা করতে খেলাধুলার কোন বিকল্প নেই-এ্যাড. উম্মে কুলসুম স্মৃতি এমপি  ধানের সাথে ফেন্সিডিল মজুত পরিকল্পনা? ” স্বপ্ন চুড়ায় পৌঁছানোর আগেই গোয়েন্দার হাতে চাতাল ব্যবসায়ী মোতাহার আটক ! ফুলছড়িতে সাংবাদিকদের সাথে ওসির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গাইবান্ধায় বিএনপির নেতা খন্দকার আহাদ আহমেদের উদ্যোগে শারদীয় দূর্গোৎসব উপলক্ষে দরিদ্র সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে শাড়ি বিতন সুন্দরগঞ্জে ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগের আনন্দ মিছিল গোবিন্দগঞ্জে বিদ্যুৎ বিভাগের বিরুদ্ধে মানববন্ধণ ও স্মারক লিপি প্রদান গাইবান্ধায় চাচার ধর্ষণের শিকার ষষ্ঠ শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রী! গাইবান্ধায় স্বতন্ত্র মাদ্রাসা জাতীয়কররণের দাবীতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় রাজাহার ইউনিয়নে ইউপি সদস্য পদে এভিএমএ অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে জলি বেগম নির্বাচিত পথশিশুদের মাঝে শাহনূরের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

“অটোফেজি ও প্রাকৃতিক ডাক্তার”

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২০
  • ১১৮

লেখক : আলী আকবর

মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার গাইবান্ধা সদর।

সংকেতঃজাপানি চিকিৎসা বিজ্ঞানী ইউসিনরিরি ওহসুমী ” অটোফেজি ” আবিষ্কার করে নোবেল পুরষ্কার পান। মানুষের দেহের সবল কোষ গুলো স্বাভাবিক খাবার না পেলে শরীরে বিদ্যমান দুর্বল ও অসুস্থ কোষ গুলো খেয়ে ফেলে শরীরকে রোগ মুক্ত করে, এ প্রক্রিয়াকে “অটোফেজি” বলে।শরীরে NGF হরমোন বেড়ে গেলে শরীরে নানাবিধ রোগের সৃষ্টি হয়। একজন লোক ৮০ বছর বেঁচে থাকলে, তার প্রকৃত কর্মকাল ২২/২৩ বছর মাত্র।পৃথিবীতে যত রোগ -ব্যাধী আছে তার প্রায় ৮০% ভালো করে প্রাকৃতিক ডাক্তার শরীর। অধার্মিক লোকের চেয়ে ধার্মিক লোকের আয়ু ৫/৬ বছর বেশি। মানুষের শরীরে বিদ্যমান শিরা-উপশিরার দৈর্ঘ্য প্রায় আশি হাজার মাইল। সকাল বেলার হাওয়া লক্ষ টাকার দাওয়া। বিস্তারিতঃ শুধি জন ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিগন এবং সন্মানিত ফেসবুক বন্ধুরা। সকলকে শুভেচ্ছা। এবারের লেখার বিষয় হচ্ছে অটোফেজি ও প্রাকৃতিক ডাক্তার।

অটোফেজি শব্দের অর্থ হচ্ছে আরবিতে সাওম, হিন্দু ধর্মে উপবাস, ইংরেজিতে Fasting, ইসলামি পরিভাষায় রোজা এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় অটোফেজি।অটোফোজি শব্দের বাংলা অর্থ আত্ম ভক্ষণ। অটোফেজি গ্রীক শব্দ। অটো শব্দের অর্থ হচ্ছে নিজেই এবং ফেজি শব্দের অর্থ ভক্ষণ করা।অর্থ্যাৎ অটোফেজি শব্দের অর্থ হচ্ছে নিজেই নিজেকে ভক্ষণ করা।মানুষের দেহের সবল কোষগুলো স্বাভাবিক খাবার না পেলে শরীরে বিদ্যমান দুর্বল ও অসুস্থ কোষগুলো খেয়ে ফেলে শরীরকে রোগমুক্ত করে।ফলে মানুষ সুস্থ ও দীর্ঘজীবি হয়। এ প্রক্রিয়াকে চিকিৎসা বিজ্ঞানে ভাষায় অটোফেজি বলে।

২০১৬ সালে চিকিৎসা বিজ্ঞানের পরিভাষায় রোজার নাম দেয়া হয় অটোফেজি। অটোফেজি আবিষ্কার করেন জাপানি চিকিৎসা বিজ্ঞানী ইউসিনরিরি ওহসুমী।অটোফেজি আবিষ্কার করে তিনি নোবেল পুরষ্কার পান। মানুষের শরীরে NGF নামক একধরনের হর্মোন থাকে। উক্ত হর্মোণের কাজ হলো নতুন কোষ সৃষ্টি করা।শরীরে NGF হর্মন বেড়ে গেলে শরীরে নতুন কোষ হুহু করে বৃদ্ধি পায়।এমন অবস্থা সৃষ্টি হলে শরীরে নানাবিধ রোগের সৃষ্টি হয়। আবার NGF হর্মণ বেড়ে গেলে সুগার ও প্রেসার বৃদ্ধি পায়, ফলে চোখ, কিডনি, হার্ট সহ শরীরে নানাবিধ রোগের সৃষ্টি হয়। প্রশ্ন হলো শরীরে NGF কমে বা বাড়ে কেন? এবং জাপানি চিকিৎসা বিজ্ঞানী নোবেল পেলেন কেন? চিকিৎসা বিজ্ঞানী ইউসিনরিরি ওহসুমীর মতে, যদি কোনো মানুষ বছরে ২০/২৫ দিন লাগাতার ১২-১৪ ঘন্টা উপবাস থাকে, তখন তার শরীরে NGF হর্মণ কমে যায়। এ অবস্থায় শরীরে আর কোনো কোষের সৃষ্টি হয় না।

তখন শরীরে বিদ্যমান সবল কোষ গুলো দুর্বল ও অসুস্থ কোষগুলো খেয়ে ফেলে।এর ফলে সুগার ও প্রেসার এবং ক্যান্সারের কোষ বৃদ্ধি শূন্যের কোঠায় নেমে আসে ও মানুষ রোগমুক্ত থাকে।এ প্রক্রিয়াকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় অটোফেজি বলে।বর্নিত অটোফেজি আবিষ্কার করে জাপানি চিকিৎসা বিজ্ঞানী ইউসিনরিরি ওহসুমী নোবেল পুরষ্কার পান। জাপানি চিকিৎসা বিজ্ঞানী ইউসিনরিরি ওহসুমী ২০/২৫ দিন লাগাতার ১২-১৪ ঘন্টা উপবাসের কথা বলে নোবেল পুরষ্কার পান।

কিন্তু মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) একমাস রোজা রাখার কথা বলেছেন।নোবেল পুরষ্কার পাওয়ার পরে তিনি আরও জানান যে যদি কেউ প্রতি সপ্তাহে আরও দুইদিন উপবাস থাকেন তাহলে আরও ভালো হয় এবং তিনি বলেন যে, ” আমি নিজেও এই পদ্ধতি অনুসরণ করি।” এই ঘটনার কিছুদিন পরে, তিনি এক মুসলমান বন্ধুর নিকট জানতে পারেন, যে মুসলমানেরা প্রতিবছর একমাস রোজা রাখেন আজ ১৪ শত বছর থেকে।

এটা জানার পরে তিনি নিজে অবাক হয়ে যান এবং আগ্রহের সাথে জিজ্ঞেসা করেন এই পদ্ধতি কে আবিষ্কার করেন ? তিনি জানতে পান মহান আল্লাহ তায়ালা কতৃক পৃথিবীতে প্রেরিত মহানবী, সিরাতুল মোত্তাকিম, রাহমতুল্লিল আলামিন, সর্বযুগের সর্বশ্রেষ্ট মহামানব, বিশ্ব মানবতার মুক্তি দূত ,নবীকূল শীরোমনি বিশ্ব নবী, আহম্মদে মোস্তফা – মোহাম্মদে মোস্তফা হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) এ পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। বর্তমানে উক্ত চিকিৎসা বিজ্ঞানী কোরআন নিয়ে গবেষণা করছেন। ইসলামি বিধান অনুসারে রোজা রাখলেঃ- (১) মানুষের শরীরের মেদ কমে যায় এবং শরীরে বিদ্যমান ক্ষতিকারক উপাদান গুলো ধ্বংস হয়ে যায়। (২) রোজা রাখলে মানুষের পাকস্থলী ও কিডনি বিশ্রাম পায়, ফলে হজম শক্তি বেড়ে যায় ও খাবারের রুচি বৃদ্ধি পায়। (৩) উপবাসের ফলে মানুষের শরীরের শ্বেত রক্তকণিকা ভেঙে যায় ও উপবাস ভাঙার পরে শরীরে নতুন শ্বেত রক্তকণিকার জন্ম হয়।

(৪) রোজা রাখার ফলে শরীরে শক্তিশালী কোষ গুলো, খাদ্যনালীতে ও পেটে জমে থাকা ময়লা আবর্ষনা খেয়ে খাদ্যনালী ও পেট পরিষ্কার করে শরীরকে রোগমুক্ত রাখে। (৫) রোজা রাখার ফলে প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে শরীরে পুঞ্জিভূত, জমাটবদ্ধ ও অপ্রোয়জনীয় উপদান গুলো বিনষ্ট হয় ও পরবর্তী একবছরের জন্য শরীরকে সুস্থ রাখে। প্রাকৃতিক ডাক্তারঃ- মানুষের শরীরই হচ্ছে প্রাকৃতির ডাক্তার। কোনো মানুষের রোগব্যাধি হলে আমরা তাকে সঙ্গে সঙ্গে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাই। ডাক্তাররা যে কোনো ঔষধ বা ইনজেকশন দিক না কেন, তার পার্শ প্রতিক্রিয়া আছে। তা শরীরের জন্য কিছুটা হলেও ক্ষতি সাধন করে।

অর্থ্যাৎ, “Every action has it’s reaction . ” এতে শরীরের ইমিউনিটি কমে যায়। কোনো ঔষধে যে পরিমাণ উপকার হয় এবং সে ঔষধেই সমপরিমাণ ক্ষতিও হয়। সুতরাং কোনো মানুষের সাধারণ রোগীব্যধি দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে ডাক্তারের কাছে না নিয়ে ,প্রাকৃতিক ডাক্তারকে ৩-৭ দিন পর্যন্ত সময় দেয়া উচিত। পৃথিবীর যত রোগব্যাধি আছে, তার প্রায় আশি শতাংশ রোগ শরীর নিজেই ভালো করে।তবে প্রাণঘাতী রোগ যেমনঃ হার্টের রোগ, ডায়রিয়া, প্রস্রাব -পায়খানা বন্ধ, স্টোক ও ডিপ্রেশন ইত্যাদি প্রানঘাতী রোগ দেখা দিলে দ্রুত ডাক্তারের কাছে বা হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। জ্বর, সর্দি, কফ,কাশি, গায়ের ব্যাথা কোমড়ে ব্যাথা বাতের ব্যাথা ইত্যাদি সাধারণ রোগ-ব্যাধি হলে, রোগের প্রাথমিক অবস্থায় শরীরে বিদ্যমান প্রাকৃতিক ডাক্তারকে ৩-৭ দিন পর্যন্ত চিকিৎসার সুযোগ প্রদান করা উচিত। এতেই শরীরের প্রায় ৮০% রোগ ভালো হয় এবং তা প্রমাণিত। তবে এ অবস্থায় রোগীকে পরিমিত ও পুষ্টিকর তথা সুষম খাদ্য দিতে হবে। মানুষের আয়ুঃ অধার্মিক লোকের চেয়ে ধার্মিক লোকের আয়ু ৫/৬ বছর বেশি।

এ জাতীয় আরো খবর...

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | গাইবান্ধা প্রতিদিন

Theme Customized BY LatestNews