1. shahriarltd@gmail.com : GaibandhaPratidin :
  2. maydul@gaibandhapratidin.com : Maydul :
  3. info@gaibandhapratidin.com : Milon Sarkar : Milon Sarkar
  4. raju@gaibandhapratidin.com : Raju Sarker : Raju Sarker
  5. srridoy121@gmail.com : Samsur Rahman Ridoy : Samsur Rahman Ridoy
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২০, ০৯:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জীবনহানির আশঙ্কা: গাইবান্ধায় বাসাবাড়ির এলপি গ্যাস দিয়ে অবাধে চলছে সিএনজি অটোরিকশা! প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা গোবিন্দগঞ্জে প্রতিবন্ধী লাল মিয়ার মুখে হাসি ফুটালেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার রামকৃষ্ণ বর্মন গাইবান্ধা জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ হিসাবে পুরস্কৃত হলেন,এ,কে,এম মেহেদী হাসান গোবিন্দগঞ্জের খন্দকার জাহাঙ্গীর আলম পুরনায় কৃষকলীগের কেন্দ্রীয় সদস্য নির্বাচিত ঢাকাস্থ গোপালগঞ্জ সাংবাদিক সমিতির কমিটি গঠন সভাপতি মামুন, সম্পাদক বাবুল সাদুল্লাপুরে এমব্রয়ডারি পল্লী পরিদর্শন করলেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় সচিব আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের আয়োজনে শেখ রাসেলের ৫৭তম জন্মদিন পালন বাড়ছে সেবার বহর,গ্রাম হবে শহর! ই-সেবার মাসব্যাপী ক্যাম্পেইনে কামারজানি ইউডিসি- গাইবান্ধা প্রতিদিন সুন্দরগঞ্জ উপজেলা পুকুর পাড়ে পার্কের ওয়াক ওয়ে ও লাইটিং এর উদ্বোধন ফুলছড়িতে খুন ও ডাকাত মামলার আসামি আব্দুল আলিম গ্রেফতার

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদাসীনতায় কামারজানীর গোঘাট_গ্রামে দূর্গামন্দির সহ অর্ধশতাধিক বাড়িঘর নদী গর্ভে বিলীন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২০
  • ১৪৮

 

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদাসীনতায় কামারজানীর গোঘাট_গ্রামে ব্রহ্মপুত্রের ভাঙ্গনের কবলে পড়ে দূর্গামন্দির বিলীন হওয়া সহ অর্ধশতাধিক বাড়িঘর নদী গর্ভে বিলীন হতে চলেছে।

২৪ জুলাই শুক্রবার দুপুরে নদী_গর্ভে_বিলীন_হয়েছে_গোঘাট_গ্রামের_প্রাচীন দুর্গা_মন্দিরটিও। গত কয়েক দিনের ভাঙ্গনে গ্রামটির প্রায় অর্ধশতাধিক পরিবারের বসত বাড়ি ও আবাদি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। ভাঙ্গনের হুমকিতে রয়েছে স্লুইস গেট, উপ স্বাস্থ্যকেন্দ্র, কামারজানি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়, বন্দর, কামারজানি মার্চেন্ট হাইস্কুলসহ অন্তত পাঁচশ’ পরিবারের বাড়িঘর ও ফসলি জমি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ব্রহ্মপুত্র নদের অপ্রতিরোধ্য ভাঙ্গনের ফলে গো-ঘাট গ্রামের সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরটি বিলীন হয়ে গেছে।

ভাঙ্গনের তীব্রতা এতবেশী যে, মন্দিরটি অন্যত্র সরিয়ে নেয়ারও সময় পাওয়া যায়নি। চলমান ভাঙ্গনরোধে গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ড শুকনা মৌসুম সহ শুক্রবার পর্যন্ত কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। তারা জানিয়েছেন, গো-ঘাট গ্রামে প্রায় দেড় সহস্রাধিক পরিবারের বসবাস ছিল। চার বছর আগে ২০১৬ সালে গ্রামটি ভাঙ্গনের কবলে পড়ে। এরআগে এ গ্রামের প্রায় সহস্রাধিক পরিবারের বসত বাড়ি, একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দুটি মসজিদসহ অসংখ্য স্থাপনাও নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। শত শত একর আবাদি জমি বিলীন হয়েছে নদী গর্ভে।

এবারের ভাঙ্গনে বাড়িঘর হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলো দিশেহারা হয়ে পড়েছে। গরু-ছাগল নিয়ে বসবাসের জন্য একটু ঠাঁই খুঁজতে তারা এদিক-ওদিক ছুটে বেড়াচ্ছেন। নদীপাড়ে মানুষের আহাজারিতে ভারি হয়ে উঠেছে আকাশ বাতাস।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিনের ভাঙ্গন প্রতিরোধে শুকনা মৌসুমে কোনো প্রকার কাজ না করে বর্ষা মৌসুমে নদী ভাংগন দেখা দিলে লোকদেখানো মাত্র কয়েকটি জিও ব্যাগ ফেলে দায়সারা কাজ করেন। এতে করে কাজের কাজ কিছুই হয়না। এছাড়াও কার্যকরী কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ফলে প্রতিবছর ব্রহ্মপুত্রের ভাঙ্গনের কবলে পড়ছে গ্রামগুলো। স্থানীয় বাসিন্দা বিকাশ সাহা জানান, , বেশ কয়েক মাস ধরে নদীভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে। নদী সবকিছু কেড়ে নিয়ে তাদের।

 

এ জাতীয় আরো খবর...

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | গাইবান্ধা প্রতিদিন

Theme Customized BY LatestNews