1. shahriarltd@gmail.com : GaibandhaPratidin :
  2. maydul@gaibandhapratidin.com : Maydul :
  3. info@gaibandhapratidin.com : Milon Sarkar : Milon Sarkar
  4. raju@gaibandhapratidin.com : Raju Sarker : Raju Sarker
  5. srridoy121@gmail.com : Samsur Rahman Ridoy : Samsur Rahman Ridoy
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২০, ০৫:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আগামী প্রজন্ম কে মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ থেকে রক্ষা করতে খেলাধুলার কোন বিকল্প নেই-এ্যাড. উম্মে কুলসুম স্মৃতি এমপি  ধানের সাথে ফেন্সিডিল মজুত পরিকল্পনা? ” স্বপ্ন চুড়ায় পৌঁছানোর আগেই গোয়েন্দার হাতে চাতাল ব্যবসায়ী মোতাহার আটক ! ফুলছড়িতে সাংবাদিকদের সাথে ওসির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গাইবান্ধায় বিএনপির নেতা খন্দকার আহাদ আহমেদের উদ্যোগে শারদীয় দূর্গোৎসব উপলক্ষে দরিদ্র সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে শাড়ি বিতন সুন্দরগঞ্জে ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগের আনন্দ মিছিল গোবিন্দগঞ্জে বিদ্যুৎ বিভাগের বিরুদ্ধে মানববন্ধণ ও স্মারক লিপি প্রদান গাইবান্ধায় চাচার ধর্ষণের শিকার ষষ্ঠ শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রী! গাইবান্ধায় স্বতন্ত্র মাদ্রাসা জাতীয়কররণের দাবীতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় রাজাহার ইউনিয়নে ইউপি সদস্য পদে এভিএমএ অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে জলি বেগম নির্বাচিত পথশিশুদের মাঝে শাহনূরের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

সাদুল্লাপুরে বানভাসীদের আশ্রয়স্থল সরকারী স্কুল, নজরকারেনী কর্তৃপক্ষের

আমিনুর রহমান
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২০
  • ২৪৮

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় ব্র্যাক স্কুলসহ শতাধিক বাড়ী পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় শতশত বানভাসীদের আশ্রয়স্থল সরকারী স্কুল।
এখন তারা খেয়ে নাখেয়ে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছে। বিপাকে পড়া বানভাসীদের সরকারী কিংবা বেসরকারী ভাবে করা হয়নি সাহায্য সহযোগীতা। এমনকি তাদের খোঁজ খবর পর্যন্ত কেউ নেয়নি এমনি অভিযোগ করলেন পঁয়ষট্টিদ্ধো সুলতানা বেওয়া।

গাইবান্ধা জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও সাদুল্লাপুর উপজেলার ঘাঘট নদীর ৫৪ সেন্টিমিটার বিপদ সীমার উপরে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

বাঁধের কাজ সঠিক সময়ে নাহওয়ায় চরমদূর্ভোগের কারন তাই পাউবো কর্তৃপক্ষের অবহেলাকে দায়ী করলেন ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলাম।

ঘাঘট নদের তীরবর্তী রসুলপুর, দামোদরপুর, বনগ্রাম ও কামারপাড়া ইউনিয়নের কিছু কিছু অঞ্চল বন্যায় প্লাবিত হয়ে প্রতিবছর শতশত লোকের বাড়িঘর পানিতে ডুবে যায়। ফসল নষ্ট হয়। মানুষকে চরমদূর্ভোগ পোহাতে হয়। প্রতি বছরের ন্যায় এবারো বন্যার কারনে এই অঞ্চল গুলোতে বন্যার পানিতে বাড়ি ঘর ডুবে বাপ দাদার ভিটেমাটি ছেড়ে শতাধিক বানভাসী আশ্রয় নিয়েছে সাদুল্লাপুর মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

এবিষয়ে জয়নব কান্না ভেজা কণ্ঠে বলেন- গভীর রাতে হঠাৎ ছাগলের ডাক শুনে ঘুম থেকে উঠে দেখি ঘরের মেঝেতে পানি।ধান চাল সব পানিতে ভিজে গেছে।তারাহুরা করে সব ফলে এই স্কুলে আশ্রয় নিয়েছি।

সাদুল্লাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাহারিয়া খান বিপ্লব বলেন- নদী খনন ও বাঁধের কাজ সঠিক সময়ে সঠিক ভাবে নাহওয়ায় প্রতি বছরে এই অঞ্চল প্লাবিত হয়।আমরা বানভাসীদের পাশে আছি। যথাযথ সাহায্য সহযোগীতা করা হবে বলে আশস্থ করেন।

বন্যাকবলিত এলাকাগুলোয় বিশুদ্ধ পানি, খাদ্য, শিশুখাদ্য, গোখাদ্যের সংকট দেখা দিয়েছে। ঘরবাড়িতে বন্যার পানি ওঠায় পানিবন্দী পরিবারগুলো চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছে। শুকনা খাবার ও জ্বালানির অভাবে খাদ্যের সংকটে পড়েছে দুর্গত মানুষ। বন্যাকবলিত এলাকাগুলোর ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ ত্রাণ পাচ্ছে না। ত্রাণের আশায় প্রহর গুণছে বানভাসীরা।

এমতাবস্থায় বানভাসি এই দুর্বিষহ মানবেতর জীবনযাপন করা মানুষগুলো স্থানীয় জনপ্রশাসন সহ স্থানীয় ধনাঢ্য ব্যাক্তিত্বদের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

এ জাতীয় আরো খবর...

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | গাইবান্ধা প্রতিদিন

Theme Customized BY LatestNews