1. admin@banglaitsolution.xyz : Mr. Shahriar Hossain : Mr. Shahriar Hossain
  2. desk@gaibandhapratidin.com : Maydul Islam : Maydul Islam
  3. : :
  4. newsdesk@gaibandhapratidin.com : Office Staff : Office Staff
ফুলছড়িতে এক বছরেও মেরামত হয়নি ভাঙা বাঁধ পানিবন্দি হাজারো মানুষ - Gaibandha Pratidin
বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২০, ১০:২৪ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞাপন:

ফুলছড়িতে এক বছরেও মেরামত হয়নি ভাঙা বাঁধ পানিবন্দি হাজারো মানুষ

মোঃ হাবিবুর রহমান
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২০
  • ১৫১ বার পঠিত
গাইবান্ধা ফুলছড়িতে এক বছরেও মেরামত হয়নি ভাঙা বাঁধ। গত বছরের বন্যায় ভাঙা বাঁধ মেরামত না করায় ব্রহ্মপুত্র নদে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ভেঙে যাওয়া বাঁধের অংশ দিয়ে পানি প্রবেশ করে ২টি গ্রামের হাজারো পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ডুবে গেছে গাইবান্ধা-বালাসীঘাট সড়কও।
ফুলছড়ি উপজেলার নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে আরও ১২ টি গ্রাম। ফুলছড়ি উপজেলার নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় ডুবে গেছে বিস্তীর্ণ পাট সহ ফসলি জমি ও পানিবন্দি হয়ে পড়েছে কয়েক হাজার পরিবার। এতে করে খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার কষ্টে ভুগতে হচ্ছে মানুষদের।চরম বিপদে পরেছে পশু খামারিরা কারন বাজারে মানুষের খাবার কিনে খেলেও পাওয়া যায় না গবাদি পশুর সবুজ খাদ্য। চারদিকে পানি আর পানি তাই চরম বিপাকে পশু খামারি ও পশু পালন কৃষকেরা।
ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে শুরু হয়েছে নদীর ব্যাপক ভাঙন।
ফুলছড়ি উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গত বছরের জুলাইয়ের বন্যায় ব্রহ্মপুত্র বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ফুলছড়ি উপজেলার সৈয়দপুর ঘাট থেকে বালাসীঘাট পর্যন্ত তিনটি স্থান ভেঙে যায়। বন্যা শেষ হওয়ার দীর্ঘ এক বছরেও গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ড মেরামত করেনি ভেঙে যাওয়া এসব বাঁধের অংশ।
পরে এলাকাবাসির আয়োজনে গত ২৩ জুন মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনের পরে বাঁধ মেরামত কাজ শুরু করলেও তা সম্পন্ন করতে পারেনি গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ড। ফলে কয়েকদিনের বৃষ্টি আর উজান থেকে নেমে আসা ঢলে ব্রহ্মপুত্র নদে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বাঁধের ভাঙা অংশ দিয়ে শুক্রবার বিকাল থেকে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করতে শুরু করে। আর তাতেই প্লাবিত হয়েছে ভাষারপাড়া ও মাঝিপাড়া গ্রাম।ফলে পানি প্লাবিত হওয়া দুই গ্রামের মানুষ ঘরের আসবাবপত্রসহ গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি নিয়ে বাঁধে আশ্রয় নিয়েছেন।
এদিকে গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ফুলছড়ি ঘাট পয়েন্টে শুক্রবার সন্ধ্যায় বিপদসীমা অতিক্রম করেছে।
আর গতকাল বিকেল তিনটায় প্রবাহিত হয়েছে বিপদসীমার ৩৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে।
ফুলছড়ি উপজেলার ফজলুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু হানিফ প্রামানিক বলেন, নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে নদী ভাঙনও ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। গত কয়েকদিনে উত্তর খাটিয়ামারী বাজারের মহিলা মার্কেট, দক্ষিণ খাটিয়ামারী গ্রামের একটি কালভার্ট, কয়েকটি গ্রামের লোকজনের বসতবাড়ি ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ফলে মানবেতর জীবনযাপন করছে এসব পরিবার।
ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু রায়হান দোলন বলেন,আমি ইতিমধ্য বাধে আশ্রয় নেওয়া পরিবার গুলোর সাথে দেখা করেছি এবং সার্বক্ষনিক খোজ খবর রাখছি। বন্যা কবলিতদের সহযোগিতা করার জন্য উপজেলা প্রশাসন সবসময় প্রস্তুত আছে।
এছাড়া বিশুদ্ধ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন সমস্যার সমাধানের জন্য জরুরী ভাবে ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
অপরদিকে ফুলছড়ি থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি কাওছার আলী জানান জনসাধারনের জান মাল নিরাপত্তার জন্য নৌ পুলিশের পাশা পাশি ফুলছড়ি থানা পুলিশ নৌকা ও গাড়ি দিয়ে দিন-রাত্রি টওল দিচ্ছে। জনগনের জানমাল রক্ষা করাই পুলিশের দায়িত্ব ও ক কর্তব্য।
গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোখলেছুর রহমান বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধগুলো জরুরিভাবে মেরামত করা হচ্ছে। আগামী এক থেকে দুই দিন আরও পানি বৃদ্ধির পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে করে আরও বেশ কিছু এলাকা প্লাবিত হতে পারে।
এ জাতীয় আরো খবর...

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | গাইবান্ধাপ্রতিদিন.কম

Theme Customized BY LatestNews