1. admin@banglaitsolution.xyz : Mr. Shahriar Hossain : Mr. Shahriar Hossain
  2. desk@gaibandhapratidin.com : Maydul Islam : Maydul Islam
  3. : :
  4. newsdesk@gaibandhapratidin.com : Office Staff : Office Staff
গাইবান্ধা প্রতিদিনে নিউজ প্রকাশের পর কামারজানি মাদ্রাসা অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু - Gaibandha Pratidin
বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২০, ১০:৪৭ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞাপন:

গাইবান্ধা প্রতিদিনে নিউজ প্রকাশের পর কামারজানি মাদ্রাসা অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু

সুমন কুমার বর্মন
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২০
  • ৩৩৭ বার পঠিত
গাইবান্ধার সদর উপজেলার কামারজানি বণিক ফাযিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বেতন উত্তোলনে তেলেসমাতিসহ বিভিন্ন অনিয়মের   অভিযোগ তদন্ত করে দ্রুত প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আলমগীর কবীরকে দায়িত্ব দিয়েছেন।
এ বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আলমগীর কবীর প্রতিবেদতকে জানান, অভিযুক্ত অধ্যক্ষ শাহ হোসাইন আহমদ তার কাগজ পত্রাদি দাখিল করেছেন। সেগুলো বিচার বিশ্লেষণ করে জেলা প্রশাসন বরাবর প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।
সম্প্রতি কামারজানি ফাযিল মাদ্রাসার বেতন উত্তোলনে তেলেসমাতি শিরোনামে একটি প্রতিবেদন অনলাইন নিউজ প্রোটাল গাইবান্ধা প্রতিদিন-এ প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর টনক নড়ে কর্তৃপক্ষের।
উল্লেখ্য, গাইবান্ধা সদর উপজেলার কামারজানি বণিক ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ বিধি বহির্ভুত ভাবে ফাজিল স্তরের বেতনভাতা উত্তোলন করে সরকারের লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অভিযোগে জানা যায়, কামারজানি বণিক ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ শাহ হোসাইন আহমেদ প্রথমে দাখিল মাদ্রাসার সুপার হিসাবে মাদ্রাসায় যোগদান করেন। পরবর্তীতে মাদ্রাসাটি ফাজিল পর্যায়ের অনুমতি পায়। কিন্তু আজোবধি মাদ্রাসাটি ফাজিল স্তরে এমপিওভূক্ত হয় নাই। বিধি মোতাবেক ফাজিল স্তরের এমপিওভূক্তি না হওয়া পর্যন্ত অধ্যক্ষ আলিম স্তরের পদমর্যাদায় ৫ম গ্রেডে বেতন ভাতা পাবেন।
কিন্তু অধ্যক্ষ শাহ হোসাইন আহমেদ তৎকালিন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের এক শ্রেণীর দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার যোগসাজসে ফাজিল স্তরের অধ্যক্ষ পদ মর্যাদায় জাতীয় বেতন স্কেলের ৪র্থ গ্রেডের বেতন ভাতা উত্তোলন করে আসছেন। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে যে এমপিও শীট ব্যাংকে প্রেরণ করা হয় তাতে অধ্যক্ষ শাহ হোসাইন আহমেদের ইনডেক্স নং ০৮৭৮৫৬ এর বিপরীতে ৫ম গ্রেডের ৪৩ হাজার টাকার পরবর্তে ৪র্থ গ্রেডের ৫০ হাজার টাকার বেতন উল্লেখ করা হয়েছে।
কিন্তু মাদ্রাসা অধিদপ্তরের ব্যাংকে পাঠানো এমপিও সিটে বিভিন্ন স্তরের মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠানিক নম্বর থেকে দেখা যায় দাখিল মাদ্রাসার এমপিওভূক্তির  প্রতিষ্ঠানের নম্বর ৮৭০২০৪২১০১, আলিম মাদ্রাসার এমপিওভূক্তির প্রতিষ্ঠানের নম্বর ৮৭০২০৭২২০১, ফাযিল মাদ্রাসার এমপিওভূক্তির প্রতিষ্ঠানের নম্বর ৮৭০২০২২৩০১।
এ জাতীয় আরো খবর...

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | গাইবান্ধাপ্রতিদিন.কম

Theme Customized BY LatestNews