1. admin@banglaitsolution.xyz : Mr. Shahriar Hossain : Mr. Shahriar Hossain
  2. desk@gaibandhapratidin.com : Maydul Islam : Maydul Islam
  3. : :
  4. newsdesk@gaibandhapratidin.com : Office Staff : Office Staff
লতিকচু চাষে সফল কাদের আকন্দ : গাইবান্ধা প্রতিদিন - Gaibandha Pratidin
বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২০, ১০:০৯ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞাপন:

লতিকচু চাষে সফল কাদের আকন্দ : গাইবান্ধা প্রতিদিন

তোফায়েল হোসেন জাকির-গাইবান্ধা
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ২১ জুন, ২০২০
  • ৭৬ বার পঠিত
Digital Camera

 

কৃষক আব্দুল কাদের আকন্দ। বয়স প্রায় ৬৫ বছর ছুঁই ছুঁই। কৃষক পরিবারই জন্ম তার। ধান-পাটসহ বিভিন্ন সবজি উৎপান করায় তার নেশা ও পেশা। এবারও তা ব্যত্যয় ঘটেনি। এ বছরে একবিঘা জমিতে লতিকচু চাষে লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন কাদের আকন্দ।এই কৃষক কাদের আকন্দের বাড়ি গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের বুজরুক জামালপুর গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের মৃত জোব্বার আকন্দের ছেলে।সরেজমিনে রোববার (২১ জুন) দুপুরে কচু ক্ষেত পরিচর্যা করতে দেখা যায় কৃষক কাদের আকন্দকে। এসময় আপন খেয়ালে কাজ করছিলেন তিনি।

জানা যায়, কচু ও তার লতি, ডগা-পাতা কোনটাই ফেলনা নয়। এসবের  মধ্যে ভিটামিন ‘এ’ রয়েছে। সবজি হিসেবে এর তরকারি অত্যন্ত মুখরোচক। তাই সাদুল্লাপুর এলাকায় জনপ্রিয় সবজি হিসেবে পরিচিত লতিরাজ জাতের কচু। ফলে এই কচু চাষ করে ইতিমধ্যে অনেকেই লাভবান হয়েছেন। এর মধ্যে আব্দুর কাদের আকন্দও একজন। তিনি দিনি দীর্ঘ ১২ বছর ধরে লেগে আছেন লতিকচু চাষে। এ ফসল বিক্রির লাভে সংসারে ফিরে এনেছেন স্বচ্ছলতা। কাদের আকন্দের কচু চাষে সফলতা দেখে এ বছরে ওই গ্রামের কুদ্দুস মিয়া, আনারুল ইসলাম ও শহিদুলসহ আরও অনেকে লতিকচু আবাদ করেছেন।

এই চাষ সম্পর্কে কাদের আকন্দ জানান, উচু-নিচু জমিতে কচু চারা রোপন করা যায়। বছরের জানুয়ারী মাসে এটি রোপনের উত্তম সময়। রোপনের তিনমাস পর থেকে কচুর লতি বিক্রি শুরু হয় এবং পাঁচ মাস পর থেকে কচু (কাঠ) বিক্রি করা যায়। গড়ে এ ফসলটি প্রায় ১০ মাস জমিতে থাকে। বিঘাপ্রতি (৩৩ শতক) জমিতে ৩ হাজার চারা রোপন করা যেতে পারে। এতে সেঁচ, সার কীটনাশক ও শ্রমিকসহ প্রায় ১৮ থেকে ২০ হাজার টাকা খরচ হয়। আর ফলন ভালো হলে প্রায় ৭০ থেকে ৮০ হাজার  টাকা বিক্রি করা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, স্বল্প খরচে অধিক লাভের সুযোগ রয়েছে লতিকচু চাষে। এটি অনায়াসে লাভজন ফসল।

সাদুল্লাপুর উপজেলা কৃষি অফিসার খাজানুর রহমান বলেন, এ বছরে উপজেলায় প্রায় ৫০০  হেক্টর জমিতে লতিরাজ জাতের কচু চাষ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কচু ও তার লতি, ডগা-পাতায় রয়েছে ভিটামিন ‘এ’। পুষ্টিকর এ সবজি খেতে ভালো লাগার ফলে বাজারে চাহিদা রয়েছে প্রচুর। ফলে লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা।

 

 

এ জাতীয় আরো খবর...

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | গাইবান্ধাপ্রতিদিন.কম

Theme Customized BY LatestNews